Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Hiran Chatterjee

অযোধ্যা থেকে বহুদূরে ঝাড়ু হাতে শীতলা মন্দির সাফ করলেন হিরণ, খাওয়ালেন গরুকেও

গেরুয়া শিবিরের বিধায়ক হলেও অযোধ্যায় মন নেই হিরণের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৪, ২০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৪, ২০:১৬

options
link
অযোধ্যা থেকে বহুদূরে ঝাড়ু হাতে শীতলা মন্দির সাফ করলেন হিরণ, খাওয়ালেন গরুকেও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষে এই মুহূর্তে প্রচারের সমস্ত আলো অযোধ্যার (Ayodhya)দিকে। এমনকী সেলিব্রিটিরাও শুটিং ফেলে এখন অযোধ্যামুখী। বিশেষত গেরুয়া শিবির ঘনিষ্ঠ অভিনেতাদের সোমবারের অযোধ্যায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে। তারই মধ্যে অবশ্য ব্যতিক্রমী খড়গপুরের বিজেপি (BJP) বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। পদ্মশিবিরের প্রতিনিধি হয়েও অযোধ্যার দিকে তেমন মন নেই তাঁর। বরং বাংলায় বসেই মন্দিরের কাজে আগ্রহী হিরণ। সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে দেখা গেল, রামমন্দির নয়, শীতলা মন্দিরের আশপাশ ও তার ভিতরে স্বচ্ছ অভিযান চালাচ্ছেন খড়গপুরের বিধায়ক। তা দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, অযোধ্যা যাচ্ছেন না?

খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক টলিউডের এই নায়ক।

পরনে জ্যাকেট, হাতে ঝাড়ু, খালি পা। এই রূপেই সোশাল মিডিয়ায় (Social Media) দেখা গেল পদ্মশিবিরের জনপ্রতিনিধিকে তথা টলি নায়ক হিরণকে। শীতলা মন্দিরের বাইরে পড়ে থাকা শুকনো পাতার স্তুপ তিনি ঝাড়ু দিয়ে সাফ করছেন। এর পর মন্দিরের ভিতরেও সাফাই অভিযান করেছেন হিরণ। মুখে অবশ্য হাসিটি লেগেই আছে। কিন্তু যেখানে দলে দলে সেলিব্রিটিরা অযোধ্যামুখী, সেখানে গেরুয়া শিবিরের জনপ্রতিনিধি হয়েও হিরণ কেন এখানে? এই প্রশ্ন তো উঠছে। তবে সর্বদা সব প্রশ্নের জবাব দেওয়া তো আর তাঁর কাজ নয়। ফলে হাজার গুজগুজ, ফিসফাসের মাঝে হিরণের মুখে কুলুপ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘৬ মাসে অর্থনীতি বদলে দেব, নইলে রাজনীতি ছেড়ে দেব’, চ্যালেঞ্জ নওশাদের]

টলিউডে অভিনয় করাকালীন হিরণের রাজনৈতিক স্তরে মেলামেশা ছিল অন্যরকম। তৃণমূল (TMC) যুব সংগঠনের পদেও ছিলেন তিনি। কিন্তু দলবদলের হাওয়ায় ভেসে পরে তিনি নাম লেখান পদ্মশিবিরে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে খড়গপুর সদর থেকে জিতে তিনি দিলীপ ঘোষের যোগ্য উত্তরসূরী হন। তার পর থেকে অবশ্য দলেও নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। একসময় তৃণমূলে ফেরার জল্পনাও উঠেছিল। সেসব দক্ষতার সঙ্গে কাটিয়ে উঠে হিরণ নিজের কাজে ব্যস্ত। আর বুঝিয়ে দিয়েছেন, সবসময় ট্রেন্ডিংয়ে গা ভাসানোর দৌড়ে নেই তিনি।

[আরও পড়ুন: কমোড লাগবেই! জেলে অদ্ভুত ‘আবদার’ শংকরের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.