সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যামেরার সামনে থাকতে ভালবাসেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুটিং ফ্লোরে সময় কাটে তাঁর। নিখাদ ভালবাসা না থাকলে এত বছর ধরে একই কাজ ক্লান্তিহীনভাবে করা সম্ভব নয়। তবে ভালবাসার জন্য ত্যাগও স্বীকার করতে হয়। আবার অত্যাচারও সহ্য করতে হয়। সেই অত্যাচারের কাহিনিই শোনালেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। নিজের ইনস্টাগ্রাম ও টুইটার প্রোফাইলে ছবি শেয়ার করে মনের দুঃখের কথা জানিয়েছেন বিগ বি।
View this post on InstagramAdvertisement
[আরও পড়ুন: বিদ্যার সঙ্গে তুলনায় কিছু আসে যায় না! ‘শাকিলা’ নিয়ে খোলামেলা রিচা]
শনিবার ভোররাত দু’টো নাগাদ ছবিগুলি শেয়ার করেছেন অমিতাভ। ছবিতে একহাতে রসে ভরা রসগোল্লা অন্যহাতে লালচে গোলাপজাম নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। মুখে দেখা যাচ্ছে মিষ্টিমুখের উচ্ছ্বাস। তবে এই হাসির নেপথ্যের কাহিনি ক্যাপশনে জানিয়েছেন বিগ বি। লিখেছেন, “মিষ্টি খাওয়া যখন ছেড়ে দিয়েছি, তখন শুটিং ফ্লোরে এক হাতে রসগোল্লা আর আরেক হাতে গোলাপজাম ধরিয়ে দিয়েছে। তার উপরে হুকুম, এমন এক্সপ্রেশন দেবেন যাতে মনে হয় এখনই খেয়ে পরম তৃপ্তি হয়েছে! এর থেকে খারাপ অত্যাচার জীবনে আর কিছু হতে পারে না।” লেখার পাশে দুঃখের ইমোজিও দিয়েছেন অমিতাভ।
বাংলা ও বাঙালিয়ানার সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের সম্পর্ক বহু আগের। শুধুমাত্র স্ত্রী জয়া বচ্চনের মাধ্যমে নয়। এই শহরকে তিনি চেনেন এবং এই শহর তাঁকে চেনে খ্যাতি পাওয়ার অনেক আগে থেকে। এখান থেকে শুরু করেছিলেন নিজের কর্মজীবন। সেই ভালবাসা আজও রয়ে গিয়েছে। তাই বোধহয় বাংলার রসগোল্লা দেখেই আবেগের জোয়ারে ভেসেছিলেন। কিন্তু, আশি বছরের কাছাকাছি পৌঁছানো শরীরটা কিছুদিন আগেই যে কোভিডের (COVID-19) ধাক্কা সামলেছে। এই সময় কিছুতেই ঝুকি নেওয়া যাবে না। অতএব এই কৃচ্ছ বলিউডের শাহেনশাকে সাধন করতেই হল।
[আরও পড়ুন: গ্লোবাল ভারচুয়াল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নিজের তৈরি ছবি দেখাতে চান? জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি]
সর্বশেষ খবর
-
এবার মাদ্রাসাতেও জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
বিশ্বকাপের ‘দ্বিতীয়’ উদ্বোধনী মঞ্চে আগুন ধরালেন নোরা, কানাডা কাঁপালেন ‘বাংলাদেশি’ ডিজে
-
জুটত না থালাভর্তি ভাতও! অভাবকে পরাস্ত করে আকাদেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ২ ছৌ শিল্পী
-
‘বিদ্রোহী’ শিবিরে যেতেই পদ খোয়ালেন মালা রায়, মহিলা তৃণমূলের নতুন সভানেত্রী কে?
-
সড়কপথে ৩৫০ কিমি পাড়ি, বাংলাদেশ পৌঁছলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী