Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Celebrity Der Durga Puja

‘পুজোর সময়ও বাইরের খাবার খাই না, তবে…’, উৎসবের দিনে কোন পদ মিস করতে নারাজ প্রসেনজিৎ?

এবারের পুজো পরিকল্পনা কী? জানালেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৮:৩৭

options
link
‘পুজোর সময়ও বাইরের খাবার খাই না, তবে…’, উৎসবের দিনে কোন পদ মিস করতে নারাজ প্রসেনজিৎ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘পুজো’। এই একটি শব্দেই বাঙালির বুকের মধ্যে ঢাকের বোল বাজে! বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব একেবারে দোরগোড়ায়। সময় যতই পালটে যাক, আধুনিকীকরণের ছোঁয়ায় ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই আমরা। তেমনই এবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের তরফে দর্শকদের পুজোর উপহার হিসেবে থাকছে পিরিয়ড ড্রামা ‘দেবী চৌধুরানী’। যে ছবিতে ভবানী পাঠকের ভূমিকায় ‘ইন্ডাস্ট্রি’। প্রায় প্রতি বছরই উৎসবের পর্দায় ধরা দেন অভিনেতা। এবারের দুর্গাপুজোতেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। উপরন্তু কর্মসূত্রে প্রসেনজিৎ বর্তমানে কলকাতা-মুম্বই মিলিয়ে বেজায় ব্যস্ত। মাসের অর্ধেকাংশ মুম্বইতেই তাঁর। এবারের পুজোর পরিকল্পনা কীভাবে সাজিয়েছেন দর্শকদের প্রিয় বুম্বা?

প্রসেনজিৎ বলছেন, “গত চোদ্দ, পনেরো বছর ধরে কাজের ব্যস্ততার মধ্যেই পুজো কাটে। কারণ প্রতিবারই কোনও না কোনও ছবির রিলিজ থাকে এসময়ে। তার জন্যে খুব স্বাভাবিকভাবেই পুজোর প্রাক্কালে প্রায় একমাস ধরে প্রচারপর্ব চলে। কখনও বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে, আবার কখনও বা পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদের মতো বিভিন্ন শহরে। তাই আমার পুজোটা পুরোটাই সিনেমার সঙ্গেই কেটে যায়। এবার ‘দেবী চৌধুরানী’ রিলিজ করছে। ২৬ সেপ্টেম্বর।” এই সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শক-অনুরাগীদের আলাদা উন্মাদনাও প্রত্যক্ষ করেছেন প্রসেনজিৎ। অভিনেতার কথায়, “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই উপন্যাস পড়েননি, গোটা ভূভারতে এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়। আমার মনে হয়, বিশ্বের সব বাঙালিদেরই ‘দেবী চৌধুরানী’ পড়া। এই পিরিয়ড ড্রামাটি দর্শকদের জন্য পুজোর অভিনব উপহার হবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

Advertisement

পুজোর মরশুম আরেকটি বিশেষ কারণে প্রসেনজিৎ এবং তাঁর অনুরাগীদের কাছে স্পেশাল। কেন? কারণ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন ৩০ সেপ্টেম্বর। অভিনেতার সংযোজন, “আমার জন্মদিন যেহেতু পুজোর মধ্যেই কখনও কখনও পড়ে যায়। তাই শারদোৎসব মানেই আমার কাছে সিনেমা, জন্মদিন, পুজো সবমিলিয়ে জমজমাট সেলিব্রেশন। আমার মনে হয়, পুজোর সময় আমরা নিজেরা যতটা না আনন্দ করি, আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা তার থেকে বেশি করি। কারণ এটাই আমাদের শিল্পীদের কাজ। আর পুজো মানেই বাঙালিদের কাছে চারটে দিন ঘোরাফেরা, আড্ডা, খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি নতুন সিনেমা দেখা।”

পুজো মানেই তো চর্ব চোষ্য খাওয়া কিংবা ভুরিভোজ। কিন্তু ষাটোর্ধ্ব অভিনেতার ঈর্ষনীয় চেহারার নেপথ্যে যে কড়া ডায়েট, সেকথা কারও অজানা নয়। সারাবছর মেপেজুপে খাবার খান প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পুজোর সময় কি সেই নিয়মভঙ্গ হয়? এপ্রসঙ্গে হাসিমুখে প্রসেনজিতের উত্তর, “পুজোর সময় বাইরের খাবার খাই না, তবে ভোগটা মিস করি না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.