Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Palash Muchhal

প্রতারণার স্বভাব বরাবরের! এবার ৪০ লক্ষ হাতিয়ে চম্পট পলাশ মুছল, দায়ের অভিযোগ

সাংলির জনৈক প্রযোজকের থেকে সিনেমা তৈরির নামে ২০২৪ সালে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন পলাশ মুছল। যিনি আবার স্মৃতি মন্দানার শৈশবের বন্ধু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৯:৩১

options
link
প্রতারণার স্বভাব বরাবরের! এবার ৪০ লক্ষ হাতিয়ে চম্পট পলাশ মুছল, দায়ের অভিযোগ zoom
পলাশ মুছল, ছবি- ইনস্টাগ্রাম
Advertisement

গত নভেম্বরেই স্মৃতি মন্দানার সঙ্গে চারহাত এক হওয়ার কথা ছিল পলাশ মুছলের। কিন্তু প্রেম-বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই বিয়ের দু’ দিন আগে সরে আসেন স্মৃতি মন্দানা। ক্রিকেটারের সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর দিন কয়েক লাইমলাইটের অন্তরালেই ছিলেন। তবে সম্প্রতি শ্রেয়স তলপড়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে কাজে ফেরার ইঙ্গিত দেন গায়ক। এমন আবহেই এবার ফের প্রতারণার অভিযোগ উঠল পলাশের বিরুদ্ধে।

খবর, সাংলির জনৈক প্রযোজকের থেকে সিনেমা তৈরির নামে ২০২৪ সালে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন পলাশ মুছল। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সিনেমার কাজ শেষ হলেই খুব শিগগিরি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে সেই ছবি। কিন্তু সময় গড়ালেও সেই সিনেমা রিলিজের নামগন্ধ তো দূরঅস্ত, এমনকী কাজ সম্পর্কিত আর কোনও তথ্যও নেই। পরে টাকা চাওয়ায় গোড়ার দিকে ফোন ধরলেও পরে ওই প্রযোজকের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করেন পলাশ। এমন অভিযোগ নিয়েই সম্প্রতি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই প্রযোজক। তবে চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে, এই প্রযোজকের সঙ্গে পলাশের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বান্ধবী স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্দানা। তারপর?

Advertisement

জানা যায়, সাংলিতে স্মৃতির পৈতৃক ভিটে রয়েছে। পলাশ যখন সেখানে গিয়েছিলেন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাসন তাঁর সঙ্গে প্রযোজক বৈভব মানের পরিচয় করিয়ে দেন। যিনি আবার স্মৃতির শৈশবের বন্ধু। এবার বিয়ে ভাঙার পরও সেই ৪০ লক্ষ টাকা না পাওয়ায় বৈভব তানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁরক দাবি, ২০২৪ সালে ঘটা করে সোশাল মিডিয়ায় ‘নজরিয়া’ নামের একটি ছবির পোস্টার শেয়ার করেছিলেন। সেই ছবির জন্যেই বৈভবের থেকে ৪০ লক্ষ টাকা নেন তিনি। কিছুটা নগদ, আর কিছুটা গুগল পে’র মাধ্যমে একাধিক কিস্তিতে এই টাকা তিনি পলাশ মুছলকে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেড় বছর পেরনোর পরও কোনও উচ্চবাচ্য না দেখে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সিনেমাটি আদতে পুরোটা তৈরিই হয়নি। পরে বৈভব যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাঁকে ব্লক করে দেন বলিউড গায়ক। এরপরই যাবতীয় নথি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশও বিষয়টির তদন্তে নেমেছে। এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, প্রতারণার স্বভাব কি পলাশের বরাবরের?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.