Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Dharmendra Prayer Meet

হেমার ডাকে ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় ‘ফ্যান’ অমিত শাহ, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিয়ে স্মৃতিচারণায় কী বললেন?

ধর্মেন্দ্রর ফিল্মি সফরের স্মৃতিচারণায় আবেগঘন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ডুকরে কেঁদে উঠলেন হেমা মালিনী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ১৩:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ১৩:০৭

options
link
হেমার ডাকে ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় ‘ফ্যান’ অমিত শাহ, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিয়ে স্মৃতিচারণায় কী বললেন? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই জানা গিয়েছিল যে, দিল্লিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জন্য ধর্মেন্দ্রর উদ্দেশে বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করেছেন হেমা মালিনী। যদিও সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন না ‘হিম্যান’-এর প্রথম পক্ষের দুই ছেলে সানি দেওল, ববি দেওল। তবে বিজেপির তারকা সাংসদের ডাকে বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউ দিল্লির জনপথে ডক্টর আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় (Dharmendra Prayer Meet) উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), কিরণ রিজিজু, ওম বিড়লা থেকে কঙ্গনা রানাউত-সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সেখানেই ‘আদ্যোপান্ত ভক্ত’ হিসেবে প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতার ফিল্মি সফরের স্মৃতিচারণা করলেন অমিত শাহ।

বিজেপির প্রয়াত তারকা সাংসদের স্মৃতিচারণা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বলেন, “ধর্মেন্দ্রজি ছিলেন অত্যন্ত পবিত্র হৃদয়ের একজন মানুষ। আজ, আমি এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আসিনি, এসেছি ধর্মেন্দ্রজির ভক্ত হিসেবে। উনি এমন একটা সময়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছিলেন, যখন সেখানে খুব বেশি টাকাপয়সার ব্যাপার ছিল না। আজ আমরা যে ধরনের বিলাসিতা দেখি, সেটাও ছিল না।
কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে উনি এই মর্যাদা অর্জন করেছিলেন। যে মানুষটি ‘শোলে’র মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন, তিনিই আবার ‘চুপকে চুপকে’তেও সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রে অনায়াসে অভিনয় করতে পারতেন।”

Advertisement

‘হিম্যান’-এর স্মৃতিচারণা করে অমিত শাহ বলেন, “ধর্মেন্দ্রজির সঙ্গে আমার কখনও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হয়নি। হেমাজি সাংসদ হওয়ার পর একবার উনি আমাকে ফোন করেছিলেন। একটি চিঠিও লিখেছিলেন। উনি চিন্তিত ছিলেন যে, হেমাজি যেন তার নির্বাচনী এলাকা থেকে ভালো ভোটের ব্যবধানে জেতেন, আর সেকথাটা তিনি চিঠিতে উল্লেখও করেন। এবং ঠিক সেটাই হয়েছিল। হেমাজি খুব ভালো ব্যবধানে জিতেছিলেন সেবার।” উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে রাজস্থানের বিকানেরে বিজেপির টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তবে এদিন তাঁর স্মরণসভায় এসে ধর্মেন্দ্রর রাজনৈতিক ইনিংস নিয়ে নয়, বরং ‘ব্যক্তি ধর্মেন্দ্র’, ‘স্টার ধর্মেন্দ্র’কে নিয়ে কথা বললেন শাহ।

শাহের সংযোজন, “আমি ধর্মেন্দ্রজির একাধিক দেশাত্মবোধক ছবি দেখেছি। বিশেষ করে ‘আঁখে’ অনেকবার দেখেছি। তখনও মনে হয়েছিল যে ওঁর অভিনীত চরিত্রটি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। শুধু অভিনয়ের জোরে নয়, মন থেকেই উনি দেশপ্রেমিক ছিলেন। গোটা বিশ্ব জানে যে ধর্মজি একজন কৃষকের ছেলে ছিলেন এবং দেশকেমনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। তাই ৯০ বছর বয়স হলেও ধর্মেন্দ্রজির চলে যাওয়া এক বিরাট ক্ষতি। ঈশ্বর তাঁর মহান আত্মাকে শান্তি প্রদান করুন। বন্দে মাতরম!” এদিন স্মরণসভায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হেমা মালিনীও। 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Press Trust of India (PTI) (@ptinews_multimedia)

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.