সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা ইন্ডাস্ট্রির হাল নিয়ে চিন্তিত সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty)। ‘বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান’, ‘দলে দলে বাংলা ছবি দেখুন’, ‘আমরা খুব কষ্ট করে সিনেমাটা বানিয়েছি, আপনারা দেখতে আসুন’, এমন কথায় আপত্তি রয়েছে জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রীর। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কড়া ভাষায় এমন মানসিকতার বিরোধিতা করলেন তিনি।
এই ধরনের কথাগুলি তাঁর শিশুসুলভ লাগে বলেই জানান সুদীপ্তা। অভিনেত্রী জানান, গৃহবধূ, রান্নার লোক বা রেস্তরাঁর রাঁধুনি কষ্ট করে রান্না করলেও সে খাবার খেতে খারাপ হলে খাওয়া হয় না। সমালোচনা করা হয়। সিনেমার ক্ষেত্রেও এমনটাই হওয়া উচিত। “সিনেমা ভাল লাগলে লোকে দেখবে, না লাগলে দেখবে না”, এমনই মত সুদীপ্তা চক্রবর্তীর।
[আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই কিয়ারা ও সিদ্ধার্থের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে জোর চর্চা, কী বার্তা দিলেন দু’জনে?]
অভিনেত্রীর কথায়, “আমরা ছোট ছোট চেষ্টা গুলোর প্রশংসা করতে ভুলে যাচ্ছি। অপেক্ষাকৃত ছোট অভিনেতা / পরিচালকদের সোশ্যাল মিডিয়া এ ঠুকে ঠুকে পোস্ট করে সাময়িক বাহবা নিয়ে আনন্দ পাচ্ছি। আর বড় প্রযোজক / পরিচালক / অভিনেতাদের টুইটারে প্রশংসা করে WhatsApp-এ / ফোনে, চায়ের আড্ডায় সমালোচনা করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়ুল মারছি আমরা।”
সুদীপ্তা মনে করেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মানুষদের এবার আয়নার সামনে দাঁড়ানোর সময় এসে গিয়েছে। না হলে খুবই দেরি হয়ে যাবে। ভাল লাগলে সকলের সামনে বলতে হয় আর খারাপ লাগলে আলাদা করে ডেকে বলা প্রয়োজন, ছোটবেলায় এমনটা শিখেছিলেন সুদীপ্তা। তবে একথা এখন বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে মেনে চলা হয় না বলেই মত প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। “আমাদের বাঁচিয়ে রাখার দায় অন্য কারও নেই, কোনওদিন ছিলও না। ওটা আমাদেরই দায়িত্ব। আশা করি খুব শিগগিরিই তা বুঝতে পারব”, ফেসবুকে একথাই লেখেন তিনি।

[আরও পড়ুন: সত্যজিতের জন্মদিনে মুম্বইয়ে ‘অপরাজিত’র স্পেশ্যাল স্ক্রিনিং, উদ্যোক্তা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক]
সর্বশেষ খবর
-
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
-
তিব্বতে ফের হ্রদ ভাঙলে ভাসবে বিহার! নদীগুলিতে চলছে কড়া নজরদারি, বাড়ছে আতঙ্ক
-
মাঝ সমুদ্রে ট্রলারডুবি, ৯ মৎস্যজীবীর পরিবারকে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
বিএসএস নাম প্রত্যাহার করায় কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে মোহনবাগান, এক পয়েন্ট দরকার ইস্টবেঙ্গলের
-
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরেই পদক্ষেপ, মুছল যাদবপুর ক্যাম্পাসের ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন

