Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Tarun Majumdar and Sandhya Roy

তরুণ মজুমদার-সন্ধ্যা রায়ের বিয়ের সাক্ষী ছিল গোটা টলিউড, কেমন ছিল আনন্দের সেই দিন?

ইন্ডিয়ান ফিল্ম ল্যাবরেটরিতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২২, ১৫:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২২, ১৫:৪৪

options
link
তরুণ মজুমদার-সন্ধ্যা রায়ের বিয়ের সাক্ষী ছিল গোটা টলিউড, কেমন ছিল আনন্দের সেই দিন? zoom

চারুবাক: ‘আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল’, স্বামী তরুণ মজুমদারের (Tarun Majumdar) প্রয়াণের খবর শুনে এই কথাটুকুই কেবল বলতে পারলেন সন্ধ্যা রায় (Sandhya Roy)।  তারপরই তাঁর গলায় জমা হল আবেগের বাষ্প। এতদিনের বন্ধু, সঙ্গী, শিক্ষাগুরু চলে যাওয়ার যন্ত্রণায় বিদ্ধ ৮১ বছরের অভিনেত্রী। কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। 

Tarun Majumder Died

Advertisement

‘বিনিসুতোর মালা’য় বাঁধা ছিল তরুণ মজুমদার ও সন্ধ্যা রায়ের সম্পর্ক। ‘পলাতক’, ‘আলোর পিপাসা’, ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘দাদার কীর্তি’র মতো সিনেমায় স্বামীর পরিচালনায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু কবে তাঁরা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তা জানা সম্ভব হয়নি। তবে দুই কিংবদন্তির বিয়েতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আর এই বিয়ের অন্যতম কাণ্ডারী ছিলেন বাগীশ্বর ঝা। 

[আরও পড়ুন: তাপস পাল, মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়দের পরিচিতি দিয়েছিল তরুণ মজুমদারের ছবি

সেই সময়ে বাংলা সিনেমার নামকরা PRO ছিলেন বাগীশ্বর ঝা। বহু সুপারহিট বাংলা সিনেমার প্রচারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। উত্তমকুমার, সুচিত্রা সেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো তারকাদের প্রিয় পাত্র ছিলেন ঝা। তাঁর প্রচার সংস্থায় শিক্ষানবিশ হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছিলেন তরুণ মজুমদার। অত্যন্ত ভাল সম্পর্ক ছিল দু’জনের। বাগীশ্বর ঝা যেমন তরুণ মজুমদারকে ছেলের মতো স্নেহ করতেন, তেমনই তরুণ মজুমদার পিতৃসম মানুষটির কথা ফেলতে পারতেন না। 

Tarun Majumdar and Sandhya Roy

এই বাগীশ্বর ঝা-ই নাকি তরুণ মজুমদার ও সন্ধ্যা রায়ের বিয়ের ঘটকালীর কাজটি করেছিলেন। ইন্ডিয়ান ফিল্ম ল্যাবরেটরিতে হয়েছিল দু’জনের বিয়ের প্রীতিভোজ। ধুতি-পাঞ্জাবিতে সেজেছিলেন তরুণ মজুমদার। সন্ধ্যা রায়ের পরনে ছিল বেনারসী। কে ছিলেন না সেই প্রীতিভোজের আসরে। প্রায় গোটা টলিউড তাঁদের বিয়েতে যোগ দিয়েছিল। এসেছিলেন উত্তমকুমার, সত্যজিৎ রায়, তপন সিনহার মতো ব্যক্তিত্বরা। পরে সুচিত্রা সেনও এসেছিলেন।

মাংস ছিল না মেন্যুতে। মাছের একাধিক পদ হয়েছিল তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar) ও সন্ধ্যা রায়ের (Sandhya Roy) রিসেপশনে। পাতপেড়ে বসে সকলে ভুরিভোজ সেরেছিলেন। সুখের সংসারই ছিল দু’জনের। তারপর কী কারণে আলাদা থাকা শুরু হল কেউ জানেন না। তবে অভিমান থাকলেও একে অন্যের খোঁজ নিতেন বরাবর। হাসপাতালে ভরতি হওয়ার দু’দিন আগেও তরুণ মজুমদার জানতে চেয়েছিলেন সন্ধ্যা রায় কেমন আছেন। তরুণ মজুমদারের অসুস্থতার খবরে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন সন্ধ্যা রায়। অভিমানের মেঘ সরে গিয়ে উঁকি দিচ্ছিল ভালবাসা। সেই ভালবাসা যে অনুচ্চারিতই ছিল।  

[আরও পড়ুন: তরুণ মজুমদারের প্রয়াণ ‘বড় ক্ষতি’, শোকার্ত গৌতম ঘোষ-ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-শতাব্দী রায়

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.