Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Dhurandhar

১০০০ কোটির ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর’-এর সংলাপে কেন্দ্রের কাঁচি, ‘বন্ধু’ বালোচিস্তানের জন্যই বড় পদক্ষেপ!

পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন ভার্সন প্রেক্ষাগৃহে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৬:২৬

options
link
১০০০ কোটির ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর’-এর সংলাপে কেন্দ্রের কাঁচি, ‘বন্ধু’ বালোচিস্তানের জন্যই বড় পদক্ষেপ! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইনি জটিলতা, বিতর্ক সঙ্গী করে গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আলো দেখেছিল ‘ধুরন্ধর’। মাত্র একুশ দিনেই বিশ্বব্যাপী ১০০০ কোটির ব্যবসা করে সাড়া ফেলে দিয়েছে যে ছবি। আর ২৭ দিনের বক্স অফিস রিপোর্ট বলছে, ১১২৮ কোটি টাকা আয় করে নতুন বছরেও ‘ধুরন্ধর’-এর তার বিজয়রথ ছোটাবে। তবে পয়লা জানুয়ারি থেকে প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে আদিত্য ধর পরিচালিত সিনেমার নতুন ভার্সন। খবর, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে সিনেমার বেশ কিছু সংলাপে কাঁচি চালানো হয়েছে। আর সেই প্রেক্ষিতেই দ্বিতীয় ভাগ মার্চে আসার আগে ছাব্বিশ সালের পয়লা দিন থেকে নয়া ভার্সন দেখতে পাবেন দর্শক।

কিন্তু হাজার কোটির গণ্ডি পেরনো সিনেমায় আচমকাই কেন কেন্দ্রের কোপ পড়ল? বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, ‘ধুরন্ধর’-এ দেখানো যে সমস্ত দৃশ্যে ‘বালোচ’ প্রসঙ্গ রয়েছে, সেখানকার যাবতীয় সংলাপ থেকে বালোচ শব্দটি ছেঁটে ফেলতে হবে। জানা গিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর গভীর রাতে দেশের সমস্ত প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষগুলিকে ইমেল মারফৎ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে পয়লা জানুয়ারি থেকে ‘ধুরন্ধর’-এর নতুন ভার্সন দেখানো হয়। তবে এপ্রসঙ্গেও ধন্দ রয়েছে। কারণ গোটা সিনেমাজুড়ে একাধিক দৃশ্য এবং সংলাপে ‘বালোচ’ শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। কাজেই কেন্দ্রের নির্দেশে সব দৃশ্য থেকেই সংশ্লিষ্ট শব্দ ছেঁটে ফেলা হয়েছে, নাকি পরিবর্তে অন্য কোনও শব্দ ব্যবহার করে নতুন সংলাপ রাখা হয়েছে? সেই উত্তর এখনও অধরা। তবে খবর, বালোচ ছাড়াও আরও একটি শব্দে আপত্তি তুলছে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক। সেটা কোন সংলাপের, তা পরিষ্কার করে জানানো হয়নি।

Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগে ‘কুমিরদের বিশ্বাস করো কিন্তু বালোচদের নয়…!’, এই সংলাপ শুনে আপত্তি তুলেছিল ভারতবন্ধু বালোচিস্তান। ক্ষোভের আগুনে জ্বলছিল সেদেশ। সেখানকার মানবাধিকার কর্মী মীর ইয়ার বালোচ অভিযোগ করেন, ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে বালোচদের অপমান করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এহেন সংলাপের মাধ্যমে ভারত-বালোচিস্তান সম্পর্ককেও নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ক্ষুব্ধ মীর বলেছিলেন, “বালোচিস্তানের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা বালোচ বাহিনি কোনওদিন মুম্বই হামলার উদযাপনে মাতেনি। কারণ আমরাও পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীর সন্ত্রাসলীলার শিকার। তাই ভারতের কথা মাথায় রেখে বালোচরা কোনওদিন ‘আল্লা-হু-আকবর’ স্লোগান তুলে আইএসআই-এর সঙ্গে যোগ দিয়ে উল্লাসে মাতেনি।” তার জেরেই কি এবার কেন্দ্রের কাঁচি পড়ল ‘ধুরন্ধর’-এর বালোচ সংলাপে? নির্মাতারা সেটা স্পষ্ট করেননি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.