Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Jaya Ahsan

অরণ্যে পশুদের বিরক্ত করে শুটিং, ফুঁসে উঠলেন জয়া আহসান, বন্ধ শবনম বুবলির কাজ!

বুবলির সেটে বন্য হাতির আক্রমণ! তার পর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৫, ১১:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৫, ১১:৫৮

options
link
অরণ্যে পশুদের বিরক্ত করে শুটিং, ফুঁসে উঠলেন জয়া আহসান, বন্ধ শবনম বুবলির কাজ! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অরণ্যে শুটিং করার ক্ষেত্রে সাধারণত বেশ কিছু বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। বিগত নয় দিন ধরে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা শেরপুরের বিভিন্ন লোকেশনে চলছিল শবনম বুবলির নতুন সিনেমার শুটিং। কখনও গারো পাহাড়ে আবার কখনও বা তার পাশ্ববর্তী অঞ্চলে ‘শাপলা শালুক’-এর সেট পড়েছে। যে ছবিতে ‘শাকিবপত্নী’র বিপরীতে অভিনয় করছেন আবদুন নূর সজল। জানা গেল, সেই সিনেমার শুটিং চলাকালীনই সেটে একদল বন্য হাতি আক্রমণ করে। যার জেরে আতঙ্কিত সিনেমার টিম। তবে জঙ্গলে শুটিং করার বিষয়টিকে মোটেই ভালো চোখে দেখছেন না জয়া আহসান। পালটা নির্মাতাদের দিকেই আঙুল তুলেছেন অভিনেত্রী।

পদ্মাপারের নায়িকা বরাবরই পরিবেশপ্রেমী। পশুপ্রেমীও বটে। ‘জীবে প্রেম করে যে জন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর’, জয়া আহসান যে এই মন্ত্রে বিশ্বাসী, তার প্রমাণ লকডাউনেও দেখা গিয়েছে। যখন তিনি মুখ ঢেকে ঢাকার রাস্তায় বেরতেন দুবেলা পথপশুদের খাবার খাওয়াতে। এবার সেই অভিনেত্রীই জঙ্গলে সজল-বুবলির ছবির শুটিং হওয়া নিয়ে সরব। জয়া নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের পাতায় সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন শেয়ার করে গর্জে উঠেছেন। অভিনেত্রীর কথায়, ‘এই আরেক উপদ্রব বনের ভিতর। বন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মন চাইলেই লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন শুরু করা যায়? মাইকের শব্দ, শুটিং টিমের বর্জ্য, গান-বাজনা এগুলো কি অ্যালাও করা ঠিক হবে এরকম একটা সেন্সেটিভ জায়গায়?’ জানা গিয়েছে, জঙ্গলে হাতির উপদ্রবের পর আপাতত ‘শাপলা শালুক’-এর শুটিং স্থগিত। সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তবে উল্লেখ্য, জয়ার কথায় সায় দিয়েছেন সিনেমার দুই তারকা সজল এবং শবনম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পদ্মাপাড়ের দুই তারকারই মত, জঙ্গলে শুটিং মানেই পশুপাখিদের বিরক্ত করা। ওদেরও সমস্যা হয়। এত শব্দ, জনসমাগমে ওরা ভয় পায়। তবে ওই বনাঞ্চল লোকেশন হিসেবে যে দর্শকদের দারুণ পছন্দ হবে, সেই বিষয়ে নিশ্চিত শবনম বুবলি। প্রসঙ্গত, এপ্রসঙ্গে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছিলেন সজল। তিনি জানিয়েছেন, “গত নয় দিন ধরে শুটিং করেছি। এখানে প্রায়শই বুনো হাতিদের আনাগোনা লেগে থাকে। মঙ্গলবারও আমাদের সেটে একদল হাতি এসে হানা দেয়। যদিও কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে সকলে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল।” আর এই ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠেছে, ওই অরণ্যে মাঝেমধ্যে বুনো হাতিদের আনাগোনার খবর যদি আগাম নির্মাতাদের কাছে ছিলই, তবে কেন লোকেশন হিসেবে বেছে নেওয়া হল ওই অঞ্চলকে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.