সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীময়ী চট্টরাজের ছোটপর্দায় ফেরার খবর আগেই পাওয়া গিয়েছিল। এবার তিনি ফিরছেন বড়পর্দায়। বেশ কয়েকবছর পর রুপোলি পর্দায় কাজ করছেন অভিনেত্রী। মাতৃত্বের প্রথমধাপ কাটিয়ে ইতিমধ্যেই ফ্লোরে ফিরেছেন কাঞ্চনপত্নী।
আগামী পুজোয় বড়পর্দায় মুক্তি পাবে উইন্ডোজ প্রযোজিত এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-নন্দিতা রায় পরিচালিত বহুচর্চিত ছবি ‘রক্তবীজ ২’। এবার সেই ছবিতেই অভিনয়ের সুযোগ পেলেন শ্রীময়ী। ছবিতে একটি ক্যামিও চরিত্রে দেখা যাবে শ্রীময়ীকে। একদিনের কাজ ছিল। গত রবিবার অভিনেত্রী শুটিং সেরে ফেলেছেন। নিজের সোশাল মিডিয়া পেজে সেই ছবি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। এ প্রসঙ্গে জানতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফে যোগাযোগ করা হয় শ্রীময়ীর সঙ্গে। ফোনের ওপার থেকে অভিনেত্রীর গলায় উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ধরা পড়ল। “সংস্থার তরফে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। আমার স্পর্ধায় কুলায়নি কী কাজ বা চরিত্র সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার। আমি জানি শিবপ্রসাদ-নন্দিতাদিরা খুব সুন্দর ভাবে তাঁদের ছবিতে গল্পের বুনন করেন। এবং তাঁদের ছবিতে ছোট বড় বলে আলাদা করে চরিত্র ভাগ করা হয় না। সব চরিত্রই সমান গুরুত্ব পায়। সেই বিশ্বাস থেকে কাজটা করেছি। তাছাড়া মিমি চক্রবর্তী, আবির চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনেতার সঙ্গে কাজ করলাম। এই কাজটা আমার কাছে একেবারেই স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ঘটনা।”
কিন্তু সদ্যোজাত কন্যা কৃষভিকে ছেড়ে কাজ করতে যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত কি এতই সহজ ছিল শ্রীময়ীর জন্য? প্রশ্ন শুনে কৃষভির মায়ের জবাব, “মেয়ে হওয়ার আগে সাতমাস পর্যন্ত আমি ‘কমলা ও শ্রীমান পৃথ্বীরাজে’র শুটিং করেছি। তারপর ভেবেছিলাম মেয়ের মুখেভাত হলে তবে কাজে ফিরব। কিন্তু ইতিমধ্যেই এই কাজের সুযোগ আসে। আমি কাঞ্চনের পরামর্শেই কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলাম।” আপাতত রক্তবীজ ২-এ মিমি চক্রবর্তী, আবির চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিকদের সঙ্গে শ্রীময়ীর অভিনয় দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়