Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kangana Ranaut

‘অভিশপ্ত ২০২৫ জীবনকে আর কী দেখাবে?’, কোন অশনি সংকেতের প্রমাদ গুনছেন কঙ্গনা?

পহেলগাঁও, আহমেদাবাদ... একের পর এক দুর্ঘটনা। কী বলছেন কঙ্গনা রানাউত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৫, ১২:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৫, ১২:২২

options
link
‘অভিশপ্ত ২০২৫ জীবনকে আর কী দেখাবে?’, কোন অশনি সংকেতের প্রমাদ গুনছেন কঙ্গনা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জীবন বড় অনিশ্চিত! পহেলগাঁও সন্ত্রাস থেকে আহমেদাবাদের উড়ান দুর্ঘটনা, সেটা আবারও বুঝিয়ে দিল। কোথাও মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে বৈধব্য যন্ত্রণার কাতর আর্তি, আবার সাম্প্রতিক বিমান দুর্ঘটনায় কেউ অনাথ হয়েছেন তো কাউকে বা সপরিবারে নতুন সংসার পাততে হয়েছে পরলোকে! এর মাঝেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকা লাশ মানুষের কাছে তুলে ধরেছে সমাজের উলঙ্গ চেহারা। একের পর এক দুর্ঘটনা ধাক্কা দেশের মনে গভীর ক্ষতর সৃষ্টি করেছে। এবার সেই প্রেক্ষিতেই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা কঙ্গনা রানাউতের।

আহমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় আগেই শোকপ্রকাশ করেছিলেন সাংসদ-অভিনেত্রী। এর মাঝেই সঞ্জয় কাপুরের আকস্মিক মৃত্যু ভাবিয়ে তুলেছে তাঁকে। শ্বাসনালীতে মৌমাছি ঢুকে একজন মানুষের এহেন মর্মান্তিক পরিণতি কঙ্গনার কাছে অবিশ্বাস্যই ঠেকছে! ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেকথাই লিখেছেন তিনি। অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আরেকটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর মাঠে পোলো খেলছিলেন। আচমকাই একটি মৌমাছি তার মুখে ঢুকে যায়। আজ্ঞে হ্যাঁ, পোলোর মাঠে মৌমাছি! সেই মৌমাছি তাঁর শ্বাসনালী এভাবে বন্ধ করে দেয় যে তিনি শ্বাসও নিতে পারছিলেন না। তাই তৎক্ষণাৎ খেলা বন্ধ করতে বলেন সঞ্জয়। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। কী মর্মান্তিক একটা খবর! সেই পোস্টেই কঙ্গনা রানাউতের সংযোজন, ২০২৫ সাল আমাদের জীবনে যে অদ্ভুত ঘটনাগুলো বয়ে নিয়ে আসছে, সেগুলো বোঝার চেষ্টাও আমি বন্ধ করে দিয়েছি। সকলে নিরাপদে থাকুন এবং ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করুন।’

Advertisement

জানা গিয়েছে, লন্ডনে পোলো খেলতে গিয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হন সঞ্জয় কাপুর। প্রসঙ্গত, পোলো খেলোয়াড় হিসেবেও সঞ্জয়ের প্রসিদ্ধি ছিল। শেষপর্যন্ত সেই খেলার মাঠেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের দাবি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি। সঞ্জয় রেখে গেলেন স্ত্রী প্রিয়া ও তাঁদের সন্তানকে। দুন স্কুলে পড়াশোনা শেষ করার পর বাকিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পূর্ণ করে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে পড়াশোনা করেন সঞ্জয়। সোনা কমস্টার লিমিটেডের চেয়ারম্যান সঞ্জয় বর্তমানে ব্রিটেনেই থাকতেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে শেষকৃত্যের জন্য সঞ্জয়ের মরদেহ দিল্লিতে আনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.