মাতৃত্বের ইনিংসের প্রায় এক বছর। এর মাঝেই বোমা ফাটালেন কিয়ারা আডবানি! নায়িকার মন্তব্য, “অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নারীদের দেবীর মতো পুজো করা হলেও সন্তান জন্মের পর থেকেই শুরু হয় যত্ত কটাক্ষ, সমালোচনা!” তাহলে কি কিয়ারাও এহেন অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার শিকার? কৌতূহল অমূলক নয়। কারণ অভিনেত্রীর মন্তব্যই এহেন গুঞ্জনযজ্ঞে ঘৃতাহূতি করেছে।
“সন্তানের জন্মের পর অনেক নারীকেই চাপের সম্মুখীন হতে হয়। একজন মায়ের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। মজার ব্যাপার হল, আপনি গর্ভাবস্থায় থাকলে সবাই প্রশংসা করে বলেন- ‘উফ্ফ! কী সুন্দর লাগছে তোমাকে…”
আরও পড়ুন:
পঁচিশ সালের জুলাই মাসে দুই থেকে তিন হন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আডবানি। একরত্তিকে ঘিরেই এখন তারকাদম্পতির সুখের সংসারে খুশির রোশনাই। যদিও সন্তান জন্মের মাস কয়েক বাদেই লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ায় ফিরেছেন, তবে মা হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই অভিনেত্রীর জীবনে এসেছে আমূল পরিবর্তন। মেয়ে ঠিক মতো ঘুমোচ্ছে কিনা, তার খাওয়াদাওয়া, ডায়াপার বদলানো, স্নান করানো-সহ দৈনন্দিন রুটিনের যাবতীয় কাজের মাঝে যেন নিঃশ্বাস ফেলার অবসরটুকুও থাকে না নতুন মায়েদের! এমতাবস্থায় কে বা কারা শারীরিক গড়ন নিয়ে কটাক্ষ, সমালোচনার মুখে ফেললেন কিয়ারা আডবানিকে? সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সেকথাই ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। কিয়ারার কথায়, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন নারীদের যেভাবে উদযাপন করা হয়, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সেই প্রশংসাই বদলে যায় সমালোচনায়। কীরকম?

কিয়ারা আডবানি বলছেন, “সন্তানের জন্মের পর অনেক নারীকেই চাপের সম্মুখীন হতে হয়। একজন মায়ের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। মজার ব্যাপার হল, আপনি গর্ভাবস্থায় থাকলে সবাই প্রশংসা করে বলেন- ‘উফ্ফ! কী সুন্দর লাগছে তোমাকে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বেড়ে গিয়েছে!’ আপনাকে যেন এক ‘দেবী’ হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু যেই মুহূর্তে আপনি সন্তানের জন্ম দিলেন, অমনি সুর বদলে গিয়ে শুরু হয়— ‘এখন তো বেশ মোটা লাগছে দেখতে। কিংবা প্রায়শই শুনতে হয়- আপনি কি মুটিয়ে গিয়েছেন! অন্যরকম দেখাচ্ছে, কেমন যেন!’ এহেন নানা কথা। মা হওয়ার পরবর্তী সময়টাই আসলে একজন নারীর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়। আর ঠিক এসময়েই মায়েদের সবথেকে বেশি সমর্থনের প্রয়োজন হয়।” এখানেই অবশ্য থামেননি কিয়ারা। একজন নতুন মায়ের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? সেই পাঠও দিয়েছেন তিনি।
“একজন ‘মা’কে গড়ে তুলতেও পুরো গ্রামের সম্মিলিত সমর্থনের প্রয়োজন। এইসময়েই একজন নারীকে পরম যত্ন ও সহমর্মিতা দিয়ে আগলে রাখা উচিত।”
অভিনেত্রীর সংযোজন, “কথায় বলে- একটি শিশুকে বড় করে তুলতে পুরো গ্রামের প্রয়োজন হয়। ঠিক তেমনই, একজন ‘মা’কে গড়ে তুলতেও পুরো গ্রামের সম্মিলিত সমর্থনের প্রয়োজন। এইসময়েই একজন নারীকে পরম যত্ন ও সহমর্মিতা দিয়ে আগলে রাখা উচিত।” আসলে সন্তান জন্মের পর নারীদের শারীরিক গড়ন বদলে যাওয়ায় প্রায়শই কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমনটা সম্প্রতি রাজকুমার রাওপত্নী পত্রলেখাকে কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। কিন্তু কিয়ারা আডবানিকেও কি এহেন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে? সেই উত্তর যদিও অধরা, তবে অভিনেত্রীর এহেন মন্তব্যে ইতিমধ্যেই চর্চার শিরোনামে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাধা দিয়েছিল তৃণমূল! সেই বাগেশ্বর বাবাকে ব্রিগেডে ধর্মসভা করার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
ধ্বংসস্তূপ থেকেই জীবনের পথে নেপাল! উদ্ধার আরও ৩ ভারতীয়, সুখবর জানাল বিদেশমন্ত্রক
-
সরকারি আবাসনে দ্বিতীয় ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন আবাসিকরাও, নিয়ম শিথিল করল শুভেন্দু সরকার
-
জন্মাষ্টমীতে ফিনফিনে শাড়িতে শরীর দেখিয়ে নাচ! ‘রাধা হওয়ার শখ’, ট্রোলড সঞ্চালিকা অনসূয়া
-
জমি দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয়ের বিরুদ্ধে ১৫ পাতার চার্জশিট সিআইডির, অভিযুক্ত আর কারা?