Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Satish Kaushik's daughter

‘প্লিজ বাবা আবার জন্ম নিও না…’, কাতর অনুরোধ সতীশ কৌশিকের ১০ বছরের মেয়ের

প্রয়াত অভিনেতার মেয়ের কথা শুনে কেঁদে ফেললেন অনিল কাপুর, অনুপম খেররা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৩, ১৮:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৩, ১৮:৪১

options
link
‘প্লিজ বাবা আবার জন্ম নিও না…’, কাতর অনুরোধ সতীশ কৌশিকের ১০ বছরের মেয়ের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঁচে থাকলে আজ বয়স হতো ৬৭। কিন্তু তা আর হল না। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮ মার্চ প্রয়াত হন সতীশ কৌশিক (Satish Kaushik)। কিন্তু মানুষ না থাকলেও তাঁর স্মৃতি তো থেকে যায়! সেই স্মৃতিকে সম্বল করেই বৃহস্পতিবার প্রয়াত অভিনেতার জন্মদিন পালন করলেন তাঁর পরিবারের সদস্য, আত্মীয় ও বন্ধুরা। আর সেখানেই বাবার উদ্দেশে লেখা চিঠি পড়ে শোনাল ছোট্ট বংশিকা। ১০ বছরের মেয়ের চিঠির শব্দ শুনে কেঁদে ফেললেন অনুপম খের, অনিল কাপুররা।

Satish-Kaushik-daughter-Vanshika

Advertisement

বংশিকার জন্য মাইক ধরেছিলেন অনুপম খের। তাতেই ১০ বছরের বালিকা বলে, “হ্যালো পাপা, আমি জানি তুমি আর বেঁচে নেই কিন্তু বলতে চাই আমি সবসময় তোমার পাশে আছে। তোমার বন্ধুরা আমায় সাহস জোগাচ্ছে কিন্তু আমি তোমায় ছাড়া বাঁচতে পারব না। খুব মিস করি তোমায়। যদি জানতাম এমনটা হবে তাহলে তোমার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য স্কুলেও যেতাম না। যদি তোমায় একটিবার জড়িয়ে ধরতে পারতাম। আমার মনের মধ্যে আছো তুমি। ঠিক যেমনটা আমরা সিনেমায় দেখি। যদি অলৌকিক কিছু একটা হয়ে যেত আর তুমি বেঁচে যেতে…”

[আরও পড়ুন: ‘মোটাকে মোটা বোলো না!’ বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে সরব আবির-ঋতাভরী, প্রকাশ্যে ‘ফাটাফাটি’ ট্রেলার]

এরপর একটু থেমে আবার বংশিকা বলতে শুরু করে, “হোমওয়ার্ক না করলে মায়ের হাত থেকে কে বাঁচাবে জানি না। আর স্কুলে যেতে ইচ্ছে করে না। কে জানে কী বলবে বন্ধুরা। যদি ওরা আমায় নিয়ে ঠাট্টা করে? প্লিজ রোজ আমার স্বপ্নে এসো। আমি তোমার জন্য পুজো দিয়েছি আর চাই তুমি যেন স্বর্গের বিশাল প্রসাদে রোলস রয়েস, ফারারি আর ল্যাম্বরগিনি নিয়ে থাকো। খুব ভাল ভাল ভাল খাবার খেয়ো।”

সবশেষে বংশিকা বলে, “নব্বই বছর বাদে আবার আমাদের দেখা হবে। প্লিজ বাবা আবার জন্ম নিও না। নব্বই বছর বাদে দেখা কিন্তু হবে। আমায় মনে রেখো, আমি তোমায় সারা জীবন মনে রাখব। তুমিই বিশ্বের সেরা বাবা ছিলে।”

[আরও পড়ুন: হাসি-মজায় সমৃদ্ধ অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার ‘লাভ ম্যারেজ’, USP সাবলীল অভিনয়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.