Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Devi Chowdhurani

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে নবরূপে জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরাণী মন্দির, ‘গায়ে কাঁটা দিচ্ছে’ ভবানী পাঠক প্রসেনজিতের

পুজো রিলিজের প্রাক্কালে মন্দির সংস্কার হওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত টিম 'দেবী চৌধুরাণী'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৮:০৭

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে নবরূপে জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরাণী মন্দির, ‘গায়ে কাঁটা দিচ্ছে’ ভবানী পাঠক প্রসেনজিতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ন্যাসী বিদ্রোহের গৌরবগাথা নিয়ে দেবীপক্ষে ‘দেবী চৌধুরাণী’র আগমন ঘটতে চলেছে। তার প্রাক্কালেই ভার্চুয়ালি জলপাইগুড়ির ‘দেবী চৌধুরাণী’ মন্দিরের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজোর পর্দায় ডমরু-উলুধ্বনির রণহুঙ্কার দিয়ে আছড়ে পড়ার আগে এমন খবরে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ‘দেবী চৌধুরাণী’র ‘ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র।

বছর সাতেক আগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় উত্তরবঙ্গের বেলাকোবা সংলগ্ন শিকারপুরের দেবী চৌধুরাণী ও ভবাণী পাঠকের মন্দির। বাংলার সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ইতিহাসের সাক্ষী এই প্রাচীন মন্দিরটি। ২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে নতুন করে সংস্কারের কাজ শুরু হয়। এবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে সেই প্রাচীন মন্দিরটিই পুনরুদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে মন্দিরে মা দুর্গার দু’পাশে শোভিত দেবী চৌধুরাণী এবং ভবানী পাঠক। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এই মন্দির সৌন্দর্যায়নে বেজায় খুশি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের কাছে পর্দার ভবানী পাঠক জানিয়েছেন, এর থেকে ভালো খবর আর কী হতে পারে! শুনে গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ইতিহাস ছুঁয়ে দেখতে পরিচালক শুভ্রজিৎও ‘দেবী চৌধুরাণী’ টিমের সকলকে নিয়ে খুব শিগগিরি পুজো দিতে যাবেন সেই মন্দিরে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসটিকে সিনেমার পর্দায় দেখার জন্য গোড়া থেকেই মুখিয়ে রয়েছেন দর্শক অনুরাগীরা। উপরন্তু ডাকসাইটে কাস্টিং নিয়ে ইতিমধ্যেই টিজারে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন শুভ্রজিৎ। গল্পের প্রেক্ষাপট ১৭৭০ সাল। ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশে যখন মাতৃভূমির মানুষজনের প্রাণ ওষ্ঠাগত, তখন দেবী চৌধুরানীকে শান দেওয়া তরবারিতে পরিণত করলেন ভবানী। গুরুর আদেশে যোগ্য শিষ্যার মতো চৌধুরানী ঝাঁপিয়ে পড়লেন মাতৃভূমি রক্ষার্থে। সেই কাহিনিই শুভ্রজিৎ মিত্রের ফ্রেমে পর্দায় ফুটে উঠবে। কপালে রক্ততিলক, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, গেরুয়া বসন, মাথায় বাঁধা লাল কাপড়ের ফেট্টি। মুখে ‘জয় ভৈরবী’ ধ্বনি। দৌর্দণ্ডপ্রতাপ ডাকাত-সম্রাজ্ঞী ‘দেবী চৌধুরাণী’র গুরু ‘ভবানী পাঠক’-এর ভূমিকায় নজর কেড়েছেন ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’। এবার পুজোর প্রাক্কালে নতুনভাবে দর্শনার্থীদের জন্য ‘দেবী চৌধুরাণী’র মন্দিরের দরজা খোলায় খুশি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.