সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলে মোটে যেতে চাইত না ছেলেটা। দুইবার এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ফেল করেছিল। অথচ বই পড়ার তীব্র নেশা ছিল। পাঠ্যবই নয়, গল্প-উপন্যাস পড়ার দুরন্ত নেশা ছিল। সারাক্ষণ তাতেই মুখ গুঁজে বসে থাকত। পড়ার জন্য অমৃতসর স্টেশনের বুকস্টল থেকে বই চুরি পর্যন্ত করেছিল। কিন্তু সে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটল। দেশভাগের যন্ত্রণা চিন্তাশীল মনকে ঝাঁঝরা করে দিল। পরিবারের অনটনে তাঁকে জোটাতে হল অনুবাদকের চাকরি। কিন্তু সহজাত লেখার হাতকে ক’দিন তাতে আটকে রাখা যায়? লিখতে শুরু করলেন সাদাত হাসান মান্টো। গল্প-উপন্যাসের আকারে উঠে এল দেশভাগের যন্ত্রণা, ছিন্নমূল মানুষের হাহাকার, দাঙ্গার আতঙ্ক, সাম্প্রদায়িকতার বিষাক্ত বিদ্বেষ।
[স্বাধীনতা দিবসেই প্রকাশ্যে ‘মণিকর্ণিকা দ্য ক্যুইন অফ ঝাঁসি’র পোস্টার]
বু, টোবা টেক সিং, তামাশা, ঠান্ডা গোস্ত, কালি সালোয়ার, খালি বোতল, ধুঁয়া- প্রতি কাহিনিতে নিপুণ দরদে চিত্রিত করেছেন দেশভাগের তীব্র জ্বালা। বারবার শালীনতার প্রশ্ন উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরিবারও খোঁটা দিয়েছে। কিন্তু লেখা বন্ধ হয়নি বেপরোয়া লেখকের। স্বল্প জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লড়াই করে গিয়েছেন। দেশভাগের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে গিয়েছেন ভারত-পাকিস্তান দুই দেশকে। বেপরোয়া, বহেমিয়ান এই লেখকের কাহিনিই পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক নন্দিতা দাস। ইতিমধ্যেই কান চলচ্চিত্র উৎসব মাতিয়েছে এই ছবি। এবার প্রকাশ্যে এল ‘মান্টো’র থিয়েট্রিক্যাল ট্রেলার।
[স্বাধীনতা দিবসে ‘তেরঙ্গা’র মাহাত্ম্য বোঝাল ধর্মতলার ‘ঝান্ডা আলম’]
ফের একবার নিজের জাত চেনালেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। উর্দু সাহিত্যের কাণ্ডারিকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে তাঁর থেকে ভাল বোধহয় আর কেউ পারতেন না। রসিকা দুগ্গল থেকে ঋষি কাপুর, চন্দন রায় সান্যাল, রণবীর শোরে, দিব্যা দত্ত প্রত্যেকেই পোড় খাওয়া অভিনেতা। চমকে দিয়েছেন অভিনেতা জাভেদ আখতার। প্রত্যেককে নিজের ছবিতে উপযুক্ত স্থান দিয়েছেন নন্দিতা। ট্রেলার দেখার পর কেবল একটিই প্রশ্ন করা যায়, সত্যি কি সত্যিই বলতে নেই?
[স্বাধীনতা দিবসের সেলিব্রেশনে মাতলেন টলিউড-বলিউডের তারকারা]
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?