Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Taslima Nasrin

ফের মুক্তি পাচ্ছে চূর্ণীর ‘নির্বাসিত’, কলকাতায় বসেই নিজের ‘অভিশপ্ত’ নির্বাসন যন্ত্রণা দেখবেন তসলিমা

Nirbasito: তসলিমা নাসরিন কলকাতায় পা রাখার চব্বিশ ঘণ্টা আগেই ফের প্রেক্ষাগৃহের আলো দেখতে চলেছে 'নির্বাসিত'। কী বলছেন পরিচালক তথা অভিনেত্রী চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়?

বৃষ্টি ভাণ্ডারী
বৃষ্টি ভাণ্ডারী

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৮:১৫

link
বৃষ্টি ভাণ্ডারী
বৃষ্টি ভাণ্ডারী

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
ফের মুক্তি পাচ্ছে চূর্ণীর ‘নির্বাসিত’, কলকাতায় বসেই নিজের ‘অভিশপ্ত’ নির্বাসন যন্ত্রণা দেখবেন তসলিমা zoom
ফের মুক্তি পাচ্ছে 'নির্বাসিত', কী বলছেন পরিচালক তথা অভিনেত্রী চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়?
Advertisement

বদলের বাংলায় সংস্কৃতি জগতে সুখবর। দু’দশকের নির্বাসন অভিশাপ কাটিয়ে শেষমেশ ‘মুক্ত’ বাংলায় পা রাখতে চলেছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। ২০০৭ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে তাঁকে কলকাতা থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল। সেই ‘লজ্জা’ কাটিয়ে আবারও পয়লা আগস্ট তিলোত্তমায় পা রাখবেন তসলিমা নাসরিন। আর তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা আগেই প্রেক্ষাগৃহের আলো দেখতে চলেছে ‘নির্বাসিত’। চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে যে সিনেমায় ফুটে উঠেছে লেখিকার ‘অভিশপ্ত’ নির্বাসন যন্ত্রণা।

“উনি চাইলে ফ্রান্সের নাগরিকত্বে থাকতে পারতেন বা মার্কিন মুলুকেও চলে যেতে পারতেন। সেই সুবিধে ছিল সরকারের তরফে। কিন্তু উনি ভারত, দিল্লিকেই বেছে নিলেন থাকার জন্য। যাতে বাঙালিদের কাছাকাছি উনি থাকতে পারেন।…”

Taslima Nasrin returns to Kolkata as Churni Ganguly's Nirbasito re-releases,
তসলিমার নির্বাসন ‘শাপমুক্তি’তে আবেগপ্রবণ চূর্ণী

আগামী ৩১ জুলাই, ফের মুক্তি পেতে চলেছে ‘নির্বাসিত’। যে বাংলা সিনেমা একসময়ে জাতীয় গণ্ডির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরেও বহুল প্রশংসা অর্জন করেছিল। আর তসলিমার কলকাতায় আগমনের আবহে যখন সেই ছবিই আবার মুক্তি পাচ্ছে, তখন সেটা লেখিকার ‘ঘরে ফেরার’র উদযাপনই বটে। ‘নির্বাসিত’র পুর্নমুক্তিতে ততোধিক উচ্ছ্বসিত ছবির মুখ্য চরিত্র তসলিমার ভূমিকায় অভিনয় করা চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। পরিচালক তথা পর্দার তসলিমা জানালেন, “এটা তসলিমা দিদির বড় জয়। কলকাতায় থাকতে উনি বাধ্য হয়েছিলেন চলে যাতে। একটা সময়ে বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে আসা এবং কলকাতা থেকে চলে যাওয়া এই দুই নির্বাসনকে ঘিরেই আমার এই ছবি। ওঁর অভিজ্ঞতার নির্যাসে। ‘নির্বাসিত’ দেখে মানুষ বুঝবে যে, ওঁকে কী ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আমরা রিয়েল লোকেশনেও শুটিং করেছি, নিরাপত্তার কারণে যে দ্বীপে ওঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে গিয়ে আমরা শুটিং করেছিলাম। ওঁর সেই একাকীত্ব এবং সেখান থেকে দিল্লিতে থাকতে শুরু করা। উনি চাইলে ফ্রান্সের নাগরিকত্বে থাকতে পারতেন বা মার্কিন মুলুকেও চলে যেতে পারতেন। সেই সুবিধে ছিল সরকারের তরফে। কিন্তু উনি ভারত, দিল্লিকেই বেছে নিলেন থাকার জন্য। যাতে বাঙালিদের কাছাকাছি উনি থাকতে পারেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কলকাতা থেকে আচমকা বিতাড়িত তসলিমা ও মিনুর সাময়িক বিচ্ছেদ, সেই সময়কালে দু’জনের মানসিকতা, একাকিত্ব ও বিচ্ছেদের যন্ত্রণা, পশু-মানুষের সম্পর্ক নিয়েই আবর্তিত এই ছবির গল্প।

Taslima Nasrin returns to Kolkata after two decades as Churni Ganguly's Nirbasito re-releases,
২০১৪ সালে ‘নির্বাসিত’ তৈরি করেছিলেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়।

স্মৃতি হাতড়ে চুর্ণীর সংযোজন, “তসলিমাদিদি আমাকে বলেছিলেন- ‘এভাবে বাংলা ভাষার বিবর্তনটা বুঝতে পারছি না।’ সেই কষ্টটা ওঁর ছিল। কারণ এতবছরের নির্বাসন। সেই প্রেক্ষিতেই এই ফিরে আসা একটা বিরাট জয়। এবং এই উপলক্ষে আমরা ‘নির্বাসিত’কে আবার রিলিজ করতে পারছি, শুধু তাই নয়, তসলিমাদিদি নিজেও এই ছবি দেখবেন কলকাতায় বসে, এটা বড় প্রাপ্তি। ওঁর পক্ষেও জয়।” নায়িকা মনে করলেন ‘নির্বাসিত’র দিনগুলিতে। চূর্ণীর কথায়, “যখন নির্বাসিত তৈরি করি, তখন জয় গোস্বামী একটা কথা লিখেছিলেন যে- ‘চূর্ণী কলকাতাকে গ্লানিমুক্ত করল।’ আজ বলব, তসলিমাদির কলকাতায় আসা এবং এই শহরে বসেই সিনেমাটা দেখা, সেটা যেন গ্লানিমুক্তির পক্ষে আরও একধাপ বাড়িয়ে দিল।”

‘নির্বাসিত’ ছবিটি তসলিমা নাসরিন ও তাঁর পোষ্য বিড়াল ‘মিনু’কে ঘিরে। কলকাতা থেকে আচমকা বিতাড়িত তসলিমা ও মিনুর সাময়িক বিচ্ছেদ, সেই সময়কালে দু’জনের মানসিকতা, একাকিত্ব ও বিচ্ছেদের যন্ত্রণা, পশু-মানুষের সম্পর্ক নিয়েই আবর্তিত এই ছবির গল্প। যা কিনা আবারও দেখার সুযোগ পাচ্ছে দর্শকমহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.