Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমার দুগ্গা: পুজোয় সেই চারদিনের প্রেম ভোলা যায় না

প্রসেনজিতের নিজের মুখেই শুনুন সে অভিজ্ঞতা, দেখুন ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৫:৪৯

options
link
আমার দুগ্গা: পুজোয় সেই চারদিনের প্রেম ভোলা যায় না zoom
Advertisement

নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

দুর্গাপুজো মানে প্রথমেই মনে পড়ে ছোটবেলার কথা। সে সময় যে উত্তেজনা ছিল, সেটা তো আর কোথাও পাওয়া যায় না। ছোটবেলায় বাড়িতে পুজো হত। বিশেষত আমার দাদুর বাড়িতে। সকলে একসঙ্গে এসে থাকতেন এই কটাদিন। তখন এক একটা ঘর এক একজনের নামে ডেডিকেট করা হত। মানে এই ঘরটা জামাইদের জন্য, এই ঘরটা নাতি-নাতিনীদের জন্য এরকম। আর এসময়টা দেদার ছাড় মিলত। মানে, আমরা বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে বেরিয়েছি বা রাত করে ফিরেছি, এই সময়টা অন্তত কেউ কিছু বলতেন না। বলবেইবা কী করে! যাঁদের বলার কথা, তাঁরা পুজোর কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকতেন যে, কিছু বলার সময় পেতেন না। ফলে বেশ খানিকটা স্বাধীনতা পাওয়া যেত। আর নতুন নতুন জামা পরা, চারদিনে আটটা জামা পরব, নতুন জুতো পরব…সে সবের উত্তেজনাই আলাদা ছিল।

Advertisement

[ আমার দুগ্গা: ছোটবেলার পুজো মানে পুজোসংখ্যা আর নাটক  ]

এই পুজোয় আবার চুরিও হত। চুরি বলতে, ধরা যাক আমার ভাইয়ের একটা নতুন জুতো হয়েছে। আমারও সেটা পছন্দ হয়েছে। তো টুক করে জুতোটা চুরি করে নিতাম। সে একটা মজার ব্যাপার ছিল। খুব মিষ্টিও বটে। এই পুজোর সময় এলে আর একটা ব্যাপার মিস করি, তা হল পুজোর গান। এখনও গান বেরোয়, তবে অন্যভাবে। কিন্তু তখন বেরোত রেকর্ড আর সেই সঙ্গে গানের বই। আরডি বর্মণ, কিশোরকুমারের গানের জন্য আমরা রীতিমতো অপেক্ষা করে থাকতাম। তারপর পুজো মানেই ছিল পুজোসংখ্যা পড়া। সুনীলদার কাকাবাবু আসতে শুরু করল। সেটার জন্যও বছর বছর অপেক্ষা করতাম। আর একটু বড় বয়সের কথা বললে যে কথা অবধারিত আসবে তা হল পুজোয় চারদিনের প্রেম। সে সময় তো ভ্যানেল্টাইন্স ডে বলে আমাদের কিছু ছিল না। পুজোর সময়ই তাই প্রেম হত। মানে শাড়ি টাড়ি পরে সুন্দরী মেয়েরা আসত। এই চারদিন তাদের দিকে আলদা করে দেখার ব্যাপার ছিল। মানে সে কখন প্যান্ডেলে আসবে আমিও তখন যাব। এই চলত চারটে দিন।
পুজো এখনও আসে। এখন আর সেভাবে তো আর মণ্ডপে যেতে পারি না। তবে পুজো এলেই শহরে একটা গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সেটা বরাবরই আমার ভীষণই প্রিয়।

দেখুন ভিডিও-

আমার দুগ্গা: ছোটবেলা থেকেই জমিয়ে ধুনুচি নাচে অংশ নিতাম ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.