সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুক্তির আগেই ‘সিতারে জমিন পর’ ছবি নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আমির খান। জানিয়েছিলেন ‘সিতারে জমিন পর’ ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে না। বড়জোর আমির খানের প্রযোজনা সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেতে পারে এই ছবি। সেই নিয়ে খানিক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল দর্শকের মনে। এবার এই ছবি নিয়ে আমিরের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়ালেন বাংলার সুপারস্টার তথা ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমির সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। ওর নতুন ছবি ‘সিতারে জমিন পর’ মুক্তির আট সপ্তাহের মাথায় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি মুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস ও দেখাতে পারে। ও এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে। দর্শকের মন ও ঠিক পড়তে ও বুঝতে পারে। তবে হ্যাঁ, আমিরের এই সিদ্ধান্তে ছবির দুনিয়ায় বাণিজ্যিক দিক থেকে কোনও পরিবর্তন আসবে না বলেই মনে হয়। কারণ একটা ছবি মুক্তির পর তা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসবে ও তারপর টিভি চ্যানেলে আসবে এইভাবেই পুরোটা হয়। এভাবেই আমরা আমাদের ছবির মাধ্যমে দেশের যে কোনও জায়গার দর্শকের অন্দরমহলে প্রবেশ করতে পারি। তবে দেখা যাক এই ছবির ক্ষেত্রে কী হয়। আমার মনে হয় ‘সিতারে জমিন পর’ বক্সঅফিসে ভালো ফল করবে।”
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, “আমি চলচ্চিত্র জগতের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি জানি এটা একটা বড় ঝুঁকি, এর সঙ্গে অনেকটা অর্থ বিনিয়োগের মতো বিষয় জড়িয়ে রয়েছে কিন্তু আমি এই ঝুঁকি নিতে চাই। কারণ আমি চাই যে দর্শক ছবিটি সিনেমা হলে গিয়ে দেখুক। আমি আমার ছবি ও আমার দর্শকের প্রতি অগাধ ভরসা রাখি।” অন্যদিকে বাণিজ্য বিশ্লেষক কোমল নাহতা জানিয়েছিলেন, আমির নাকি এই ছবির ১২০ কোটি টাকার ডিজিটাল স্বত্বের প্রস্তাব ইতিমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারণ তিনি দর্শককে সিনেমাহলমুখো করতে চান।
সর্বশেষ খবর
-
EXCLUSIVE: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
মমতার জোটের ডাক উপেক্ষা! উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি