Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Rachana Banerjee-Raj Chakraborty

‘হোক কলরব’-এর ‘ঝুলি না ঝোলাই’ বিতর্ক তুঙ্গে, রাজকে সচেতন হওয়ার পাঠ রচনার!

ক্ষুদিরাম-সংলাপ বিতর্কে কী মন্তব্য রচনার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ১৭:৩৬

options
link
‘হোক কলরব’-এর ‘ঝুলি না ঝোলাই’ বিতর্ক তুঙ্গে, রাজকে সচেতন হওয়ার পাঠ রচনার! zoom

সুমন করাতি, হুগলি: ‘হোক কলরব’-এর সংলাপ ঘিরে গত দিন দুয়েক ধরেই সোশাল পাড়ায় চাপানোতর। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বগামী হয়েছে, বললেও অত্যুক্তি হয় না। টিজারের এক দৃশ্যে পুলিশের উর্দি গায়ে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “নমস্কার, আমি ক্ষুদিরাম চাকী। না, আমি ঝুলি না, ঝোলাই!” আর সেই সংলাপ শুনেই প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন সভ্য দর্শকমহলের একাংশ। ক্ষুদিরাম বসুকে অসম্মানের অভিযোগ উঠেছে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর (Raj Chakraborty) বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)।

রচনা বললেন,”উনি চাইলে অন্য নাম রাখতে পারতেন, সচেতন হওয়ার প্রয়োজন ছিল।” সাংসদ-অভিনেত্রীর সংযোজন, “এখন সোশাল মিডিয়ার যুগ। একটু উনিশ-বিশ হলেই মানুষ সেটাকে ইস্যু করে নেয়। এরকম নাম হয়তো আগে অনেক ব্যবহার হয়েছে, তখন তো সোশাল মিডিয়া এত স্ট্রং ছিল না। আমার বাবার নাম রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি আমি তার মেয়ে রচনা ব্যানার্জি। অনেকে বলতো এই রবীন্দ্রনাথ এদিকে আয়। তাহলে যদি বলেন যে তুই-তুকারি করা হলো সেটা তো নয়। আমার বাবার নাম সেটা। উনিও হয়তো তাই সেইভাবে নামটা রেখেছেন ক্ষুদিরাম চাকী। এখন অনেকে হয়তো ভাবছেন একজন বিশিষ্ট মানুষের নাম এভাবে রাখা হয়েছে। এর থেকেও আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত। ভাবা উচিত।” এরপর রচনা জানান, “এ বিষয়ে ওঁর সচেতন হওয়া উচিত। উনি চাইলে অন্য নাম রাখতে পারতেন। কিন্তু মানুষ মাত্রই তো ভুল হয়। সেটা হয়তো ওনার হয়ে গিয়েছে।”

Advertisement
Rachana Banerjee-Raj Chakraborty
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

আগামী ২৩ জানুয়ারি বড়পর্দায় আসতে চলেছে রাজ চক্রবর্তীর বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘হোক কলরব’। এগারো বছর আগে ঠিক যে শব্দবন্ধের জেরে উত্তাল হয়েছিল রাজ্যের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সেই স্লোগানকে হাতিয়ার করেই এবার ছাত্র রাজনীতির গল্প বুনেছেন পরিচালক। আর সেই সিনেমার ঝলক দেখেই বিতর্কের স্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠেছে। কারও বক্তব্য, ‘দেশমাতৃকার জন‍্য হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় তুলেছিলেন ক্ষুদিরাম বোস। আর বাংলার সেই বীর সন্তানকে নিয়ে কিনা বাংলা সিনেমাতেই এহেন সংলাপ?’ কারও বা প্রশ্ন, ‘বাঙালি নিজস্ব শিকড়-সংস্কৃতি ভুলতে বসেছে?’ একাংশ আবার রাজনৈতিক মহলের ‘মৌনতা’ নিয়ে প্রশ্ন ছুড়লেন! কেউ বা ব্যঙ্গাত্মকভাবে বিঁধে বললেন, ‘এত জাতীয়তাবাদী ডায়লগ আওড়ানো রাজনৈতিক ব‍্যক্তিত্বদের প্রতিবাদ কোথায়?’ কেউ বা আবার শাশ্বতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ‘বেঙ্গল ফাইলস’ প্রসঙ্গ তুলে খোঁচা দিলেন, ‘উনি তো আবার না জেনেই সংলাপ আওড়ান!’ বলাই বাহুল্য, পরিচালকের পাশাপাশি এহেন সংলাপ আওড়ে বিতর্কের শিরোনামে নাম লিখিয়েছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ও। এপ্রসঙ্গে তাঁর কী মতামত? প্রশ্ন যেতেই অভিনেতা জানান, “পুরো ছবি না দেখে যাঁরা মন্তব্য করেন, তাঁদের নিয়ে ভাববার সময় নেই আমার।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.