Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Amitabh Bachchan KBC 17

KBC-তে অমিতাভের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ক্লাস ফাইভের পড়ুয়ার! বিতর্কের ঝড় নেটপাড়ায় 

দশ বছর বয়সি খুদের আচরণে ক্ষুব্ধ 'সভ্য সমাজ', প্রশ্ন উঠল 'মা-বাবার শিক্ষা' নিয়েও!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১৫:৫১

options
link
KBC-তে অমিতাভের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ক্লাস ফাইভের পড়ুয়ার! বিতর্কের ঝড় নেটপাড়ায়  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘গুরুজনদের প্রতি ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত, বর্তমান প্রজন্ম কি সেটা ভুলে যাচ্ছে?’ ‘নাকি ক্রমাগত আধুনিকীকরণের পালে হাওয়া দিয়ে নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে?’ কেবিসি ১৭-র মঞ্চ থেকে সম্প্রতিস ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নেটপাড়া। এক পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়ার কথা বলার ধরন, আচরণ দেখে বিতর্কের ঝড় নেটপাড়ায়। ওই দশ বছর বয়সি খুদে কেবিসি জুনিয়রে খেলতে এসে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে যে ‘ঔদ্ধত্য আচরণে’ কথা বলেছে, সেই বিষয়টির নিন্দাতেই মুখর হয়েছেন দর্শকমহলের একাংশ।

ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আর পাঁচজন প্রতিযোগীর মতো হট সিটে বসে থাকা ওই পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াকে খেলার নিয়ম বোঝাতে যাচ্ছিলেন বিগ বি। কিন্তু অমিতাভ প্রশ্ন করার আগেই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সে বলে ওঠে- “আমাকে নিয়ম শেখাতে আসবেন না। আমি জানি। আপনি শুধু অপশন তো দিন।” এর পর ‘রামায়ণ’ নিয়ে অমিতাভের প্রশ্ন শেষ করার আগেই ওই খুদে সাইরেন বাজিয়ে জবাব দিতে যায়। এমনকী তাকে এও বলতে শোনা যায় যে, “এটা আবার কোনও প্রশ্ন হল নাকি? যদিও শেষমেশ সে সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।” ভুল উত্তর দিয়ে কোনওরকম পুরস্কারমূল্য না নিয়েই ভগ্নহৃদয়ে ফিরে যেতে হয় তাকে। তবে খুদের সঠিক উত্তর না দেওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা খুঁজে পায়নি নেটপাড়া। বরং তাঁদের অভিযোগ দশ বছর বয়সি এক পড়ুয়ার ‘বিশ্রী আচরণ’ নিয়ে।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Sumesh Chandak (@sumesh_chandak)

এই ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটপাড়়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। একাংশ কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন খুদের মা-বাবাকে। তাঁদের দাবি, ‘এদের প্যারেন্টিং শেখা উচিত।’ কেউ নিন্দে করে লিখেছেন, ‘পড়াশোনা করে শিষ্টাচার না জেনে কোনও লাভ নেই। এতে আখেড়ে আর যাই হোক, ভালো মানুষ হওয়া যায় না।’ কেউ বা আবার লাগাতার ট্রোলের জেরে শিশুটির মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সবমিলিয়ে কেবিসির ওই পর্ব নিয়ে সরগরম সোশাল পাড়া! যদিও বাচ্চাটির এহেন আচরণকে নম্রভাবে সামাল দেওয়ার জন্য অমিতাভের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন একাংশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.