১৪  আশ্বিন  ১৪২৯  রবিবার ২ অক্টোবর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

‘ও বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, ঘুমিয়ে গেলেন নাকি!’,পার্থর গ্রেপ্তারিতে বিদ্বজ্জনদের একহাত রুদ্রনীলের

Published by: Akash Misra |    Posted: July 29, 2022 5:06 pm|    Updated: July 29, 2022 6:01 pm

Rudranil Ghosh recite poem on Partha Chatterjee issue | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ইস্যু নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রতিদিনই এই কাণ্ডে নতুন নতুন বিষয় সামনে আসছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা কাণ্ড নিয়ে নিন্দায় সরব নেটিজেনরা। তবে বুদ্ধিজীবীরা কোথায়? তাঁরা কেন চুপ? হ্যাঁ, এমনই প্রশ্ন তুললেন অভিনেতা ও বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)। সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা পাঠ করে বুদ্ধিজীবীদের একহাত নিলেন রুদ্রনীল।

রুদ্রনীলের কবিতায় উঠে এল বাংলার রাজনীতি ও বুদ্ধিজীবীদের অবস্থানের কথা। রুদ্রনীল বললেন, “ও বুদ্ধিজীবী, লেখক, কবি, ঘুমিয়ে গেলেন নাকি… ভাতা পেয়ে দাতার ভয়ে লজ্জা পাওয়া বাকি। দিচ্ছ কাকে ফাঁকি। বুদ্ধিজীবী, আপনারা নাকি বাংলার মুখ, আপনারা সব বিবেক… মানুষ নিয়ে ভাবেন নাকি… তা হোক এগারোর রিমেক। পড়ছে মনে? এগারোতে… এখন মুখ কুলুপ এঁটে ওড়ান কিসের ফানুস। বাংলার মা বিস্মিত আজ মাটি জুড়ে লজ্জা… মানুষ চিনছে লুটেরাদের… বাংলার শরশয্যা… ও বুদ্ধিজীবী… ও বুদ্ধিজীবী… চোরের মায়ের বড় গলা… রোজ মঞ্চে… চোরের মায়ের বড় গলা রোজ বলে যায় মিথ্যে… চোর জেলে যায়, মা তবু চুপ… মা শুধু চায় জিততে। বুদ্ধিজীবী বলছে মানুষ আপনারা সব বিক্রি হয়ে গেছেন… ভাতা, চেয়ার, খয়েরি খামে মত্ত হয়ে আছেন…ও বুদ্ধিজীবী আর কত লুট হলে পড়ে খুলবে তুমি মুখ…”

[আরও পড়ুন: ‘বারবার স্তন নিয়ে আমাকে কটূক্তি শুনতে হয়েছে!’ অকপট অনন্যা পাণ্ডে ]

তবে এই প্রথম নয়, কয়েকদিন আগেও ২১ জুলাই এবং অপির্তা ও পার্থ ইস্যুতে কবিতা পাঠ করেছিলেন রুদ্র। সেই কবিতায় উঠে এসেছিল, ”২১ জুলাই মঞ্চ থেকে বেচল দিদি মুড়ি, ২২ জুলাই অর্পিতাদের ফ্ল্যাটে কোটি কুড়ি। মুড়ি বেচার টাকা নাকি চাকরি চুরির টাকা, বলি ও দিদিভাই জবাব তো দিন, মালিক তো আপনি একা। ২০ কোটির নোটের পাহাড় দেখল বঙ্গবাসী, অর্পিতাদের উন্নয়নে আমার দিদি খুশি, তৃণমূলের দুর্গাপুজোয় অর্পিতারাই মুখ, নেতার কাছের মানুষ হলেই পাবে অপার সুখ…লজ্জা, ঘেন্না, শিকেয় তুলে লুটছে অবিরত…” এর আগেও রুদ্রনীল নানা সময়ে, নানা কাণ্ডে রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করে কবিতা পাঠ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার শারীরিক পরীক্ষার জন্য ইএসআই হাসপাতালের সামনে পৌঁছেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। হাসপাতালে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামতেই চাননি তিনি। হাত ধরে নামানোর চেষ্টা করতেই গাড়ি থেকে পড়ে যান। এদিনের ছবিতেই স্পষ্ট, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত অর্পিতা। এদিকে হাসপাতালে প্রবেশের সময় প্রথমবার নীরবতা ভেঙে পার্থ বললেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।”

এদিন বেলা প্রায় সাড়ে ১২ টা নাগাদ জোকা ইএসআই হাসপাতালে পৌঁছন অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে অর্পিতাকে গাড়ি থেকে নামানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। সেই সময়ই গাড়ি থেকে নামতে চাননি অর্পিতা। গাড়িতে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তবুও ইডির দুই মহিলা আধিকারিক অর্পিতাকে নামানোর চেষ্টা করেন, সেই সময় গাড়ি থেকে পড়ে যান তিনি। এরপর কোনওক্রমে তাঁকে ওঠানো হয়। হুইল চেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের ভিতরে।

তারপরই গাড়ি থেকে নামানো হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। হুইল চেয়ারে করে তাঁকে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমবার সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।” গ্রেপ্তারির পর ৭ দিন পেরিয়েছে। এর আগেও একাধিকবার নিজের বক্তব্য পেশের সুযোগ ছিল পার্থবাবুর কাছে। কিন্তু একবারও মুখ খোলেননি তিনি। আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টাও করেননি। বরং নীরবই ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল।

[আরও পড়ুন: নির্ভয়া কাণ্ডের পর এবার সিরিয়াল কিলার, আসছে ‘দিল্লি ক্রাইমে’র নতুন সিজন, দেখুন টিজার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে