সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিন সোমবার আচমকা সোশাল মিডিয়া থেকে গায়েব সলমন খান (Salman Khan)! ভাইজানের ইনস্টা প্রোফাইলে প্রবেশ করতে গেলেই ভেসে উঠছে ‘সরি দিজ পেজ ইজনট অ্যাভেলেবল।’ যার বাংলা তর্জমা করলে হয়, এই মুহূর্তে পেজটির কোনও অস্তিত্ব নেই। অঘোষিতভাবে হঠাৎ করে ইনস্টা থেকে কেন উধাও সলমন, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ভক্তরা। যদিও অনুরাগীদের দুঃশ্চিন্তা দূর করে কিছুক্ষণ পরই ‘ঘরওয়াপসি’ ভাইজানের। ইনস্টা অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হতেই ভক্তদের মুখে চওড়া হাসি তা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
অনেকটা সংয় পেরিয়ে গেলেও কেন এরকম একটা ঘটনা ঘটল সেই বিষয়ে এখনও ‘নির্বিকার’ সলমন। সোশাল মিডিয়া বিভ্রাটের নেপথ্যে কোনওভাবে হাসপাতালের সামনে পাপারাজ্জিদের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হওয়া ও সমাজমাধ্যমে সলমনের ক্ষোভপ্রকাশের রেশ? এই সম্ভবনা কিন্তু, পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না নেটভুবন। কেন এমন যুক্তি খাঁড়া করছেন সলমন ভক্ত থেকে নেটিজেনরা?
আরও পড়ুন:
আসলে ইনস্টাগ্রামে ভাইজান পাপারাজ্জিদের আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। অভিযোগ, হিন্দুজা হাসপাতালের সামনে আলোকচিত্রীরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। বিশৃঙ্খল আচরণে একেবারে রেগে কাঁই সলমন। কয়েকজন পাপারাজ্জি সলমনের আপত্তি সত্ত্বেও তাঁকে ক্রমাগত অনুসরণ করে বারবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। সোশাল মিডিয়া পোস্টে এহেন আচরণকে ‘অসংবেদনশীল’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তারকা কারও জীবনের কঠিন মুহূর্তকে কনটেন্ট না বানানোর সতর্কবার্তা ভাইজানের।
View this post on Instagram
২০ মে বুধবার রাত প্রায় দুটো নাগাদ শেয়ার করা একাধিক পোস্ট মারফৎ জানান, তিনি সবসময় সংবাদমধ্যমকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং তাঁদের জীবিকা অর্জনের দিকেও খেয়াল রেখেছেন। কিন্তু কারও দুঃসময়কে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের চেষ্টাকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ। পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে উত্তপ্ত বুলিরই প্রতিফলন নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটি? সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার নেপথ্য রহস্য উদঘাটনে উৎসুক অনুরাগীরা।
View this post on Instagram
হাসপাতালের বাইরে সেদিন উপস্থিত সকল পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে র আরও কড়া বার্তা, ‘এমন পরিস্থিতিতে আমি সব সীমা অতিক্রম করতে পারি। পরেরবার কারও দুঃখ নিয়ে আমার সঙ্গে এটা করার চেষ্টা করো না। যখন তোমাদের পরিবারের কেউ হাসপাতালে থাকবেন তখন আমি এভাবে আচরণ করব?’
View this post on Instagram
এর আগে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, হাসপাতালের বাইরে আলোকচিত্রীদের চুপ থাকতে বলছেন সলমন। সেই সঙ্গে প্রশ্ন করছেন, তাঁদের পরিবারের কেউ ভর্তি থাকলে এমন আচরণ করতেন? পরে সেই আলোকচিত্রীরা অভিনেতার কাছে ক্ষমাও চান।