সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণ কাণ্ডে নাম জড়ায় অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের। বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরে অবশ্য সেই অভিযোগ প্রমাণিতও হয় এবং জেলে যান অভিনেতা। সেইসব দিন যতটা কঠিন ছিল অভিনেতার কাছে ঠিক ততটাই কঠিন ছিল তাঁর পরিবারের জন্যও।বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী মান্যতার জন্য। কারণ এই কয়েকবছর একাই সামলেছেন তাঁর সন্তানদের, শুধু দায়িত্বই নয় বাচ্চাদের নানা প্রশ্নের উত্তরও দিতে হয়েছে তাঁকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেইসব কঠিন সময়ে কীভাবে মান্যতা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, সে কথাই বললেন সঞ্জয় দত্ত।
[জানেন, কার জন্য মেঝেতেই শুয়ে পড়লেন স্বয়ং সলমন খান?]
তিনি বলেন, যে সময়টা তিনি জেলে কাটিয়েছেন তখন তাঁর ছেলে ও মেয়ে খুবই ছোট ছিল, এতটাই ছোট যে তাদের বোঝানোই মুশকিল ছিল যে তাদের বাবা এতদিন ধরে কোথায় আছে। জেল কী, এই ধারণাটাই তো ছিল না তাদের। সঞ্জয় প্রথমেই মান্যতাকে বলেছিলেন যেন কখনওই বাচ্চাদের নিয়ে জেলে না আসেন তিনি। তাই মান্যতা কখনও ছেলে মেয়েকে জানতেই দেননি যে, তাদের বাবা জেলে রয়েছেন। তাদের বরাবর মান্যতা বলেছেন, বাবা বিদেশে নতুন ছবির শুটিংয়ে গিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়িই ফিরে আসবেন।
[এমির মঞ্চে প্রিয়াঙ্কার নাম ভুল উচ্চারণ, নেটদুনিয়ায় তুলকালাম]
কিন্তু এতে মোটেই সন্তুষ্ট ছিল না তারা। বারবারই মায়ের কাছে আবদার জুড়তো বাবাকে ফোন করার জন্য। সেসময় সন্তানদের মিথ্যে বলতেন মান্যতা, তিনি বাচ্চাদের শান্ত করার জন্য বলতেন, সঞ্জয় একটি পর্বতে শুটিং করছেন যেখানে মোবাইলের নেটওয়ার্ক থাকে না।তবে পনেরো দিন অন্তর জেল থেকে ফোন করার সুযোগ পেতেন সঞ্জয়। তখনই কথা বলতেন ছেলে মেয়ের সঙ্গে। এখন অবশ্য তাঁর ছেলে মেয়েরা জানে যে, সঞ্জয় এতদিন কোথায় ছিলেন, তবে পুরো ঘটনাটা জানে না। সঞ্জয়ের এখন অপেক্ষা তাদের বড় হওয়ার। কারণ তারা বড় হলে সমস্ত ঘটনাটা তাদের বিস্তারিত জানাতে চান অভিনেতা।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক