Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
Satarupa Sanyal

উৎপলেন্দুর প্রয়াণের পরে শতরূপার ‘কালরাত্রি’র কবিতা, ‘রক্ত ঝরেছে ঢের…’

মঙ্গলবার প্রয়াত হন জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৪, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৪, ১৬:১৬

options
link
উৎপলেন্দুর প্রয়াণের পরে শতরূপার ‘কালরাত্রি’র কবিতা, ‘রক্ত ঝরেছে ঢের…’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষ চলে যায়। থেকে যায় স্মৃতি। সেই স্মৃতি সুখেরও হতে পারে, আবার বিষাদেরও। যেটাই হোক, মনের ভিতরে একটা দাগ তো রেখেই যায়। মঙ্গলবার চলে গেলেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তী (Utpalendu Chakrabarty)। এই মানুষটার সঙ্গেই একদিন সাতপাকের বাঁধনে জড়িয়েছিলেন শতরূপা সান্যাল। সংসার সুখের হয়নি। আমৃত্যু কোনও যোগাযোগও ছিল না। কিন্তু উৎপলেন্দুর চলে যাওয়ার পরই শতরূপা লিখলেন ‘পথ ছেড়ে দাও’ কবিতা।

Utpalendu

Advertisement

উৎপলেন্দুর প্রয়াণের পর এক সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ামূলক প্রতিবেদন লেখেন শতরূপা (Satarupa Sanyal)। সেখানেই জানান, ‘স্বামী’ চেয়েও আগে উৎপলেন্দু তাঁর শিক্ষক ছিলেন। সংসার হয়তো ‘ভালো’ রাখতে পারেননি পরিচালক, তবে তাঁর যা কিছু তমসাচ্ছন্ন তা নশ্বর দেহের সঙ্গেই ছাই হয়ে যাক এবং শুধু সুখস্মৃতিই থাক, এমনটাই চান শতরূপা। ফেসবুকে ঋতাভরী ও চিত্রাঙ্গদার মা লেখেন,

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

পথ ছেড়ে তুমি সরে যাও কালো রাত
আমার সামনে আর বিছিয়োনা কাঁটা
আমার দু পায়ে রক্ত ঝরেছে ঢের
ক্রমশ কঠিন হয়েছে বুকের পাটা।
এই মিশকালো কালরাত্রির টানেল
তবু কোন ভয়ে কাঁপেনা আমার প্রাণ
দৃঢ় প্রত্যয়ে যে আছে আমার পাশে
তারই হাত ধরে গাইব জয়ের গান॥

 

[আরও পড়ুন: তরুণী ডাক্তারের খুনের পরই উধাও আর জি করের PGT যুগল, দানা বাঁধছে রহস্য]

মঙ্গলবার উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের প্রতিনিধিকে জানান, সারা দিন ঠিকই ছিলেন পরিচালক। সন্ধ্যার দিকে চা খাচ্ছিলেন। কয়েক চুমুক দেওয়ার পরই ঝিমিয়ে পড়েন। চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করে জানান তিনি প্রয়াত হয়েছেন। শেষের কটা দিন পরিচালকের ডিমেনশিয়া একটু বেড়েছিল বলেই জানালেন অর্ঘ্য। হাঁটাচলার শক্তি হারিয়েছিলেন পরিচালক। কিন্তু স্মৃতি ফিরলে মাঝে মাঝেই যেন শুটিং ফ্লোরে ফিরে যেতেন। তাঁর মুখে শোনা যেত সিনেমার কথা। লাইট-অ্যাকশন-ক্যামেরার নানা কাহিনি।

জাতীয় পুরস্কার ছাড়াও উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর ঝুলিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক পুরস্কার, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার। কিন্তু তার পর আর গ্ল্যামার দুনিয়ার মূলস্রোতে সেভাবে পাওয়া যায়নি তাঁকে। যন্ত্রণা কম ছিল না। কিন্তু সেকথা উঠলেই সহকারী অর্ঘ্যকে পরিচালক বলতেন, “পেইন ছাড়া গেইন নয়। যন্ত্রণা যেখানে নেই, সিনেমা সেখানে নেই।” ‘শোলে’ আর ‘পথের পাঁচালী’র মধ্যে তুলনা উঠলে সত্যজিত রায়ের ছবির হয়েই সওয়াল করতেন। বলতেন, এই ছবিতে শুধু চরিত্ররাই নয় পশু-পাখি, পরিবেশ সবাই অভিনয় করেছে, “এপিক ইজ রিয়্যাল।”

[আরও পড়ুন: ধোঁকা দিচ্ছিল স্মৃতি, কুয়াশাচ্ছন্ন শেষের দিনগুলো কেমন কাটত উৎপলেন্দুর? জানালেন ছায়াসঙ্গী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.