সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছেলে অধ্যায়ন সুমনের সঙ্গে যখন প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন কঙ্গনা, তখন শেখর সুমনের দুচোখের বিষ ছিলেন নায়িকা। এমনকী, কঙ্গনার সঙ্গে ব্রেকআপ হওয়ার পর বাবা ছেলে মিলে কঙ্গনাকে ‘ডাইনি’ তকমাও দিয়েছিলেন। সেই শেখর সুমনের মুখেই এবার কঙ্গনার সুনাম! হ্যাঁ, ঠিক এভাবেই পালটি খেলেন শেখর সুমন।
ব্যাপারটা একটু বিশদে বলা যাক বরং। সঞ্জয়লীলা বনশালির ‘হীরামাণ্ডি’ ছবিতে দেখা যাবে শেখর সুমনকে। বহুদিন পরে ছবির পর্দায় ফিরছেন শেখর। সেই ছবির প্রচারেই কঙ্গনার প্রসঙ্গ উঠতে শেখর সুমনের স্পষ্ট জবাব, ”কঙ্গনা আর অধ্যায়ন যখন প্রেম করছিল, ওরা দুজনেই খুব খুশি ছিল। আসলে জীবনের প্রতিটা অধ্যায় একরকম হয় না। জীবনে ঝড়ও আসে। আসলে নিয়তির সামনে আমরা সবাই খুব ক্ষুদ্র। হয়তো এটাই ভবিতব্য ছিল। ওরা দুজনেই এখন আলাদা আলাদা ভালো আছে। আসলে, অনেক সময়ই আমরা কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। পরে পিছনে তাকিয়ে দেখলে, হতাশ লাগে। হয়তো অধ্যায়ন ও কঙ্গনারও তেমনই লাগে।”
শেখর সুমনের এই মন্তব্য শুনে নিন্দুকরা কিন্তু দুই দুইয়ে চার করছেন। অনেকের মতে, কঙ্গনার রাজনীতি পা দেওয়ার কারণেই হয়তো কঙ্গনার সম্পর্কে ভোলবদল শেখর সুমনের।
বহু বছর ধরেই কঙ্গনার কপালে হিট নেই। তবে তিনি খবরে রয়েছেন। বলিউড হোক কিংবা দেশের রাজনীতি, নানা বিতর্কে মুখ খুলে কঙ্গনার অপর নাম বিতর্ক ‘ক্যুইন’। ঠিক এই সময় থেকেই নিন্দুকরা লক্ষ্য করেছেন, নানাভাবে গেরুয়া শিবিরের নজর কাড়তে কঙ্গনা একেবারে তটস্থ। কঙ্গনার মোদি ভক্তিই বুঝিয়ে দিয়েছিল, সিনেমার কেরিয়ারকে জলাঞ্জলি দিয়ে কঙ্গনার পাখির চোখ রাজনীতি। বিশেষ করে পদ্ম হাতেই যে রাজনীতির মাঠে ‘মণিকর্ণিকা’ হতে চেয়েছিলেন কঙ্গনা তা ছিল স্পষ্ট। যেমন প্ল্যান, তেমনই কাজ। এবারের লোকসভায় হিমাচলের মান্ডি কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী কঙ্গনার হল স্বপ্নপূরণ।
[আরও পড়ুন: কলকাতায় পা রেখে কী দেখে মুগ্ধ হলেন কার্তিক আরিয়ান? নিজেই শেয়ার করলেন ভিডিও]
কঙ্গনা যেখানে, বিতর্ক সেখানে। একথা তো এখন একশো শতাংশ সত্য। রাজনীতিতে নামতেই বিতর্ক শুরু। নিন্দুকরা মনে করছেন, নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং সাধপূরণ করতেই কঙ্গনা রাজনীতিতে এসেছে। অনেকে তো মনে করছেন, বলিউডে নিজের আধিপত্য বাড়াতেই কঙ্গনার এমন ফন্দি। সত্য়িকারের বলিউডের ‘ক্যুইন’ হওয়ার লোভেই নাকি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি!
ইন্ডিয়া টুডেকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার নেপথ্যের কারণ ফাঁস করলেন কঙ্গনা। স্পষ্ট জানালেন, বিজেপির সঙ্গে তাঁর আত্মিক যোগ রয়েছে।
কঙ্গনার কথায়, ”মানুষের সেবা করাই আমার ধর্ম। ছোটবেলা থেকে তেমনটাই শিখেছি। আসলে ২০ বছর ধরে সিনেমা করেছি। একটা ঝকঝকে জীবনযাপন করেছি। অনেক হল, এবার সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। এই সুযোগ ভগবান সবাইকে দেয় না। আমি সেটা পেয়েছি এবং আর এর সঠিক ব্যবহার করব। এখন এটাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য।”
[আরও পড়ুন: পোলাও-মাংস থেকে নাচোস ঘুগনি, সেজওয়ান ফুচকার ফিউশন পাবেন এই পয়লা বৈশাখে]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির পর বাংলায় বিরাট মদ কেলেঙ্কারি! তৃণমূল জমানায় বদলে যায় নীতি, কাঠগড়ায় অভিষেক
-
বিমানবন্দরের মতো আন্তর্জাতিক মানের বাস ও ট্যাক্সি টার্মিনাল হাওড়ায়! রেলমন্ত্রীকে প্রস্তাব রাজ্যের
-
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মসনদে তামিম, কনিষ্ঠতম সভাপতি নির্বাচিত প্রাক্তন অধিনায়ক
-
বিশ্বনাথের শহরে মাছমাংস নয়, এবার বারাণসীর বাইরে আমিষের দোকান সরানোর প্রস্তাবে সিলমোহর!
-
পিৎজা ডেলিভারির ফাঁদ পেতে এলোপাথাড়ি গুলি! আমেরিকায় খুন হারদরাবাদের যুবক