Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Sidharth Malhotra

স্ত্রী কিয়ারার জন্যই সিদ্ধার্থ মালহোত্রার প্রাণসংশয়! খোয়া গেল ৫০ লক্ষ টাকা

ঠিক কী ঘটেছে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৪, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৪, ১৫:১৭

options
link
স্ত্রী কিয়ারার জন্যই সিদ্ধার্থ মালহোত্রার প্রাণসংশয়! খোয়া গেল ৫০ লক্ষ টাকা zoom
ছবি : ইনস্টাগ্রাম

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্ত্রী কিয়ারা আডবানির (Kiara Advani) জন্যই সিদ্ধার্থ মালহোত্রার (Sidharth Malhotra) প্রাণসংশয়! অভিনেতাকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন লক্ষ লক্ষ টাকার। এমন কথা শুনেই তড়িঘড়ি ময়দানে নেমে পড়েন সিদ্ধার্থের এক মহিলা অনুরাগী। তারপরই ঘটল বড় বিপত্তি! ‘জাবরা ফ্যানে’র করুণ পরিণতি। ওই মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া গেল ৫০ লক্ষ টাকা।

ঠিক কী ঘটেছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মিনু বাসুদেব নামে ওই মহিলা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার খুব বড় ফ্যান। তাঁর কাছেই অভিনেতার এক ফ্যান পেজ থেকে দাবি করা হয় যে, কিয়ারা আডবানির জন্যই জীবনসংশয়ে সিদ্ধার্থ। একাধিক টুইটে তাঁর সঙ্গে ঘটা ওই ভয়ানক প্রতারণার কথা জানান মিনু। তাঁর দাবি, আলিজা এবং হুসনা পারভিন নামে দুই অ্যাডমিন ফ্যান পেজ চালানোর নাম করে প্রতারণার ব্যবসা ফেঁদে বসেছে! ‘শাহেনশা’ অভিনেতা বিপদে রয়েছেন বলে বিশ্বাস করানো হয় তাঁকে। স্ত্রী কিয়ারার জন্যই নাকি এমন বিপদে পড়েছেন বলে মিনুকে জানায় ওই দুই অ্যাডমিন। এখানেই শেষ নয় অবশ্য!

Advertisement

মিনু বাসুদেব এও জানান যে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি এই ঘটনা ঘটে! আপেক অনুরাগীর থেকেও সাড়ে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয় ঠিক একইভাবে। অ্যাডমিন আলিজা এবং হুসনা পারভিন নাকি তাঁকে জানিয়েছিল, “কিয়ারা ও তাঁর পরিবারকে খুনের হুমকি দিয়ে সিদ্ধার্থকে বিয়ে করতে বাধ্য করেছে।” বাকি টুইটগুলিতেও তাঁর দাবি, “কিয়ারা কালা জাদু করেছিল সিদ্ধার্থ মালহোত্রার উপরে। সিদ্ধার্থ নাকি তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সমস্ত অ্যাকসেসও হারিয়ে ফেলেছে। অভিনেতার পিআর টিমের সঙ্গে কথাও বলানো হয় আমাকে। যার নাম দীপক দুবে। এখানেই শেষ নয়, কিয়ারার টিমের রাধিকা নামের কারও সঙ্গেও কথা হয়, যে ভিতরের খবর বাইরে সরবারহ করত।”

[আরও পড়ুন: ছেলে আজাদের জন্যই ‘আরোও কাছাকাছি’ আমির-কিরণ, জোড়া লাগছে ভাঙা বিয়ে?]

মিনু বাসুদেবের আরও দাবি, তিনি নাকি সাপ্তাহিক টাকা দিতেন এদেরকে। বিনিময়ে তারা তাঁকে সিদ্ধার্থ-কিয়ারার সব খবর তাঁকে সরবরাহ করত। অনেক আলোচনার পর প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার টাকা করে দেওয়ার রফা হয়েছিল। এমনকী সিদ্ধার্থের সঙ্গে কথা বলার জন্যও নাকি ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে তাঁকে।

[আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় চোর ধরলেন জীতু কমল! ‘মারব কম দৌড় করাব বেশি’, দিলেন হুঁশিয়ারিও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.