Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Sonu Sood

‘রাজনীতি করলে আর এত মানুষের উপকার করা হত না’, কেন এমন বললেন সোনু সুদ?

শুরুতে তাঁর সমাজসেবায় অনেকের সন্দেহ ছিল, দাবি অভিনেতার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২১, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২১, ২১:০৭

options
link
‘রাজনীতি করলে আর এত মানুষের উপকার করা হত না’, কেন এমন বললেন সোনু সুদ? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্করুপোলি পর্দায় তিনি খলনায়ক। কিন্তু বাস্তবের পৃথিবীতে ক্রমেই এক যথার্থ নায়ক হয়ে উঠছেন সোনু সুদ (Sonu Sood)। লকডাউনের (Lockdown) সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফিরিয়ে দিতে তাঁর প্রয়াস দেখে মুগ্ধ হয়েছিল গোটা দেশ। তারপর থেকে নিয়মিতই তাঁকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সোনুর মতে, এই বিপুল কর্মযজ্ঞে তিনি শামিল হতে পেরেছেন কেবল রাজনৈতিক দলগুলির সংশ্রবে না থাকতে পারার জন্যই।

এক সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, এবিষয়ে নিজের মনের কথা খুলে বলেছেন সোনু। তাঁর কথায়, ”এত সব কিছু আমি করতে পেরেছি, কেননা আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। তাহলেই আমাকে কোনও কাজ করার আগে একশোটা প্রশ্নের জবাব দিতে হত। আমি মানুষের কাছে পৌঁছতে চেয়েছিলাম। ধর্ম বা জাত দেখে নয়, সমাজের সব মানুষের কাছেই পৌঁছতে চেয়েছিলাম।” তিনি এখন ‘রিয়েল লাইফ হিরো’। আর সেবিষয়ে বলতে গিয়ে আবেগে ভেসে গিয়েছেন তারকা অভিনেতা। তাঁর মতে, গত ২০ বছরে একশোর বেশি ছবিতে অভিনয় করেও এত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারেননি তিনি। নিজের এই নয়া ইমেজ দারুণ উপভোগ করছেন জানিয়ে সোনু বলেন, ”এটা কোনও ফিল্ম নয়। অবশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বরই এখানে পরিচালক।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই বিষোদ্গার করছেন সায়নী! ভিডিও পোস্ট করে মমতাকে খোঁচা তথাগতর ]

শুরুতে তাঁর সমাজসেবা নিয়ে অনেকেই সন্দেহপ্রকাশ করেছিলেন। সে প্রসঙ্গ তুলে সোনু জানাচ্ছেন, ”মনে পড়ে, আমার নতুন ছবি ‘পৃথ্বীরাজ’-এর পরিচালক চন্দ্রপ্রকাশ দ্বিবেদী বলেছিলেন, মানুষ আমাকে টেনে নামাবে। আসলে এই পৃথিবীতে কেউ কারও ভাল করছে দেখলেই মানুষ প্রশ্ন তোলে, কেন কেউ কাউকে সাহায্য করছে!” কিন্তু আজ মানুষের সব সংশয় দূর হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি সোনুর। তাঁর নামে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা শুরু হয়েছে তেলেঙ্গানায়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় উচ্ছ্বসিত সোনু। কেবল একটাই দুঃখ রয়ে গিয়েছে তাঁর। এত মানুষের ভালবাসায় তাঁর ভেসে যাওয়ার মুহূর্তগুলির সাক্ষী থাকতে পারলেন না তাঁর মা-বাবা! সোনুর আফশোস, ”যদি ওঁরা এটা দেখতে পেতেন!”

[আরও পড়ুন: ‘বেঁচে থাকাই দুষ্কর করে দেব’, টুইটারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.