সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলি আকাশ ছোঁয়া বিল ফেঁদে বসছে। যা মেটাতে গিয়ে প্রায় নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। উপরন্তু রোগী ‘রেফার’ করার চক্রে পড়ে হয়রানির শিকারও হতে হচ্ছে! দিন কয়েক আগেই সরকারি হাসপাতালের রেফার কাণ্ডের জন্য প্রাণ গিয়েছে দুই রোগীর। উপরন্তু দিনের পর দিন করোনা চিকিৎসার জন্য মাত্রাতিরিক্ত বিলের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো, এধরনের বিভিন্ন ঘটনা চতুর্দিক থেকেই শোনা যাচ্ছে বর্তমানে। রবিবার সেসব বিষয় নিয়েই প্রতিবাদে সরব হলেন শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)।
ফেসবুকে একটি পোস্ট করে নিজস্ব ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁর মতামতের জন্য ফোনে ধরা হলে কোনওরকম রাখঢাক না করেই স্পষ্ট প্রতিবাদ শ্রীলেখার। রাজ্য হোক কিংবা কেন্দ্রীয় সরকার, সাধারণ মানুষের কথা ভেবে কাউকেই রেয়াত করেন না তিনি।
[আরও পড়ুন: সুশান্ত ইস্যুতে ইডির দপ্তরে টানা ১৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা রিয়া চক্রবর্তীর ভাইকে]
শ্রীলেখার মন্তব্য, “আগে বলা হয়েছিল, আমাদের দেশে নাকি চিকিৎসা ফ্রি! তা ফ্রিয়ের নমুনা কি এটা? তাহলে আমার করোনা হলেও ওই নির্দেশ মতোই আমিও দরজা-জানালা খুলে বাড়িতে বসে থাকব। দেশে দেশে যেরকম যুদ্ধ হয়, সেরকম এটাও তো একধরণের যড়যন্ত্রই। ভোগান্তিটা তো সাধারণ মানুষদেরই হয়। কে ভাবে তাদের কথা? এই কিছুদিন পরেই তো আমরা ঘটা করে স্বাধীনতা দিবস পালন করব। আমার মনে হয় না, এই দিনটা দেখার জন্য আমাদের পূর্বপুরুষেরা স্বার্থত্যাগ করে বলিদান দিয়েছিলেন। আজকের দিনে। আজকের এই দেশের জন্য আমার কোনও দেশাত্মবোধ নেই। দরিদ্রদের পরিস্থিতি সেই একইরকম রয়ে গিয়েছে। যারা ধান্দাবাজ, তারা আরও বেশি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছে।” দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়েও ক্ষোভ, আক্ষেপ শোনা যায় অভিনেত্রীর গলায়।
[আরও পড়ুন: সুশান্ত ইস্যুতে মুম্বই পুলিশের অনুমতি না নিলে CBI’কেও আইসোলেশনে যেতে হবে, বিস্ফোরক মেয়র]
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে