Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Swarup Biswas

জুনিয়র আর্টিস্টদের পাশে ফেডারেশন, ‘মানবিক’ সিদ্ধান্ত সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের

টকি ও ননটকি দু'ধরনের আর্টিস্টের ক্ষেত্রে নূন্যতম পারিশ্রমিকের সীমারেখা নির্ধারণের ভাবনাও আলোচিত হয়।

Advertisement
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৪৩

link
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:৪৩

options
link
জুনিয়র আর্টিস্টদের পাশে ফেডারেশন, ‘মানবিক’ সিদ্ধান্ত সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের zoom
ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিস্বাস-সহ অন্যান্যরা। ছবি: সংগৃহীত।

জুনিয়র আর্টিস্ট, এক্সট্রা, ইত্যাদি নানা নামে তাঁদের ডাকা হলেও, তাঁরা আসলে শিল্পী, পারফর্মার, অভিনেতা। টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ এই জুনিয়র আর্টিস্টদের কাজের জগৎ। বেশ অসংগঠিত কাজের ক্ষেত্র। প্রতি পদক্ষেপে তাঁদের অসুবিধা। শুটিংয়ে মেকআপ রুমের অসুবিধা, পোশাক পরিবর্তনের জায়গার অসুবিধা, খাওয়ার জায়গার অসুবিধা, শৌচালয় ব্যবহারের অসুবিধা, আউটডোর শুটিংয়ে যাওয়ার অসুবিধা,অনেক রাতে শুটিং শেষ হলে বাড়ি ফেরার অসুবিধা এইসব অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়।

কাজের জায়গায় তাঁদের এই অসুবিধার দিকগুলো ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস’ এন্ড ওয়ার্কাস’ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস মহাশয়ের প্রথম নজরে আসে, শুটিং স্টুডিওগুলো পরিদর্শনের সময়। সেই থেকে জুনিয়র আর্টিস্টদের অসুবিধা দূর করে তাদের সংগঠিত করার ভাবনা মাথায় আসে স্বরূপবাবুর। তারই ফলশ্রুতিতে গত ৮ই মার্চ মুভিটোন স্টুডিওতে ফেডারেশন ও তার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের ডাকে, “ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র এন্ড কো আর্টিস্ট” গিল্ডের ব্যবস্থাপনায় প্রায় সহস্রাধিক জুনিয়র আর্টিস্ট (টকি ও নন টকি), আর্টিস্ট কো অর্ডিনেটর, সংশ্লিষ্ট গিল্ডের পদাধিকারী ব্যক্তিরা মিলে এক জনসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট স্বরূপ বিশ্বাসের তরফ থেকে উপস্থিত সবাইকে আশ্বস্ত করা হয় কর্মক্ষেত্রে তাদের অসুবিধাগুলোর আশু নিষ্পত্তির। টকি ও ননটকি দু’ধরনের আর্টিস্টের ক্ষেত্রে নূন্যতম পারিশ্রমিকের সীমারেখা নির্ধারণের ভাবনাও আলোচিত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিস্বাস-সহ অন্যান্যরা। ছবি: সংগৃহীত।

স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) মতে, “শিল্পীর কোনও সিনিয়র, জুনিয়র শ্রেণিবিভাজন হয় না। সিনেমা বা সিরিয়ালে একটা দৃশ্যের সার্থক রূপায়ণে একজন পরিচিত শিল্পীর যতটা ভূমিকা থাকে, ততখানি ভূমিকা থাকে একজন ততটা না চেনা মুখের, তথা জুনিয়র আর্টিস্টের। একটি দৃশ্যে যদি পরিচিত নামী আর্টিস্ট ভালো অভিনয় করেন, আর সহযোগী শিল্পীদের অভিনয়ের মান তেমনটা না হয়, তাহলে দৃশ্যটির গুণগত মানে উত্তরণ ঘটে না। তাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রি তাঁদের জুনিয়র আর্টিস্ট বলে তকমা দিয়েছে, তাঁরাও আসলে শিল্পী। প্রত্যেক শিল্পী ও কলাকুশলীর প্রাপ্য ও ন্যায্য অধিকারের লড়াইয়ে ফেডারেশন সবসময় পাশে থেকেছে।” এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ৮ ই মার্চ, মুভিটোন স্টুডিওর এই জনসভা সেই অর্থে ছিল ঐতিহাসিক। নারীদিবসের প্রাক্কালে, ফেডারেশন ও তার সভাপতি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অসংগঠিত শিল্পীদের সংগঠিত করে কাজের সুস্থ পরিবেশ দেওয়ার এই প্রচেষ্টা, এক সৎ ও মানবিক পদক্ষেপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.