Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Swastika Mukherjee

‘পাপের ঘড়া উলটায়…’, সাসপেন্ড হতেই অরিন্দম শীলকে বিঁধলেন স্বস্তিকা

যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিচালক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৪, ২৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৪, ২৩:২২

options
link
‘পাপের ঘড়া উলটায়…’, সাসপেন্ড হতেই অরিন্দম শীলকে বিঁধলেন স্বস্তিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পরিচালক অরিন্দম শীলকে সাসপেনশনের নোটিস পাঠানো হয়েছে। এতেই উচ্ছ্বসিত স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সাসপেনশনের মেল সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার পরিচালককে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে বিঁধলেন অভিনেত্রী।

swastika
ফাইল ছবি

সোশাল মিডিয়ায় স্বস্তিকা লেখেন, “পাপের ঘড়া উলটায়। ভেবেছিলাম বোধহয় নিজের জীবনে দেখে যেতে পারব না। ভগবান তুমি এই কথাটুকু যে রেখেছ। এই অনেক। ২০ বছর সময় লাগল, সে লাগুক। আমাদের জগতের সমস্ত মেয়েদের বলছি। সময় এসেছে, সম্মান দখল করার। আর ভয় নয়। গলা তুলে, আঙুল তুলে চিৎকার করে নোংরা লোকগুলোর মুখোশ টেনে ছিড়তে হবে। সবাই বেড়িয়ে এসো। হাত ধরে একসঙ্গে সোচ্চার হই। এটা আমাদের মৌলিক অধিকার।”

Advertisement

Swastika post

[আরও পড়ুন: যৌন হেনস্তার অভিযোগ! ডিরেক্টর্স গিল্ড থেকে সাসপেন্ড অরিন্দম শীল]

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্তার অভিযোগ নস্যাৎ করে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে অরিন্দম শীল জানান, বিষয়টি ‘একটি খুনির সন্ধানে’ সিনেমার সেটে হয়েছে। সাহেব চট্টোপাধ্যায় ও অভিযোগকারী অভিনেত্রীকে তিনি একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তা একটি ‘চিট শট’ ছিল। শট বোঝাবার সময় অ্যাক্সিডেন্টালি’ পরিচালকের মুখ অভিনেত্রীর গালে লেগে যায়। আর সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃতভাবেই হয়েছিল। সেই সময় অভিনেত্রীর তা নিয়ে প্রতিক্রিয়াও ছিল না। শুটিংও নির্বিঘ্নে হয়ে যায়।

Arindam-Sil

অরিন্দম জানান, পরে তিনি অভিযোগের বিষয়টি জানতে পারেন। এর জন্য তাঁকে মহিলা কমিশনে হাজিরাও দিতে হয়। সেখানে তিনি নিজের বক্তব্য জানান। বিষয়টি লিখিতভাবে দেওয়ার কথা বলা হয়। পরিচালক জানান, অনিচ্ছাকৃতভাবেই যে ঘটনাটি ঘটেছে তা তিনি লিখিতভাবেই দিতে যাচ্ছিলেন। তাতে অভিযোগকারী অভিনেত্রী রাজি ছিলেন না। তখন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুরোধে তিনি অনিচ্ছাকৃত শব্দটি বাদ দেন। সেটিই এখন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। ‘আমি নিশ্চিতভাবেই আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলব। জানব আমি কী করতে পারি’, বলেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘প্রচণ্ড সম্মানহানি…’, ডিরেক্টর্স গিল্ডকে পালটা অরিন্দম শীলের, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.