৩০ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শঙ্কু মানেই অ্যাডভেঞ্চার। শঙ্কু মানেই নতুন অদ্ভুত আবিষ্কারের সঙ্গে পরিচয়। অ্যানাইহিলিন পিস্তল আর মিরাকিউরলের মতো সর্বরোগনাশক বড়ি তো তাঁরই সৃষ্টি। গিরিডির এই আত্মভোলা বৈজ্ঞানিকের সঙ্গে সত্যজিৎ রায় বইয়ের পাতায় আমাদের পরিচয় করিয়েছেন। এবার সেলুলয়েডে দেখা যাবে প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুকে। ছবির নাম ‘প্রোফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’। মুক্তি পেয়েছে তার ট্রেলার।

সত্যজিতের ‘নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো’ কাহিনি অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে এই ছবি। তবে গল্পের নাম কিন্তু এটা নয়। সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন, ‘নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো’। সেই গল্পের অবলম্বনেই ছবি বানাতে চলেছেন সন্দীপ রায়। সত্যজিতের সৃষ্টি এই নকুড়বাবু চরিত্রটি ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান প্রোফেসর শঙ্কু। কিন্তু শুভাকাঙ্খী নকুড়বাবু জানান, সেখানে তাঁর বিপদ রয়েছে। বিপদ থেকে প্রোফেসরকে বাঁচাতে তাঁর সফরসঙ্গী হন নকুড়বাবু। ব্রাজিলে গিয়ে সলোমন ব্লুমগার্টেন নামে এক ব্যক্তির চোখে সোনার খনি ‘এল ডোরাডো’ নিয়ে লালসা দেখতে পান নকুড়বাবু। জানতে পারেন, দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশ ঘুরেও এল ডোরাডোর সন্ধান পাননি সলোমান। টাকার লোভে প্রফেসরের সঙ্গী নকুড়বাবু তাঁর সফরসঙ্গী হন। কিন্তু সত্যিই কি প্রোফেসরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নকুড়বাবু? আর এল ডোরাডো? সোনার শহর কি সত্যিই বর্তমান? নাকি নকুড়বাবুর অলৌকিক শক্তির সাহায্যেই একমাত্র তা বাস্তবে আনা সম্ভব? 

nakurbabu

ছবিতে প্রোফেসরের ভূমিকায় দেখা যাবে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়কে। আর নকুড়বাবুর চরিত্রে রয়েছেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়। নকুড়বাবুর অলৌকিক শক্তিপ্রাপ্তি, শঙ্কুর সাও পাওলো যাওয়া, আদিবাসীদের আক্রমণ, এল ডোরাডোর সন্ধান, সবই উঠে এসেছে ট্রেলারে। শঙ্কুভক্তদের আগ্রহ উসকে দেওয়ার জন্য চেষ্টার কোনও কসুর করেননি পরিচালক সন্দীপ রায়। তবে গল্পের বই যাঁরা পড়েছেন, তাঁদের জানা এই গল্প। এখন সন্দীপ রায় কীভাবে তাঁকে পর্দায় প্রতিফলিত করবেন, সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং