Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kamduni

‘ফাঁসির আসামি বেকসুর খালাস’, কামদুনি ধর্ষণ কাণ্ডে কলকাতা হাই কোর্টের রায় নিয়ে কী বলছে টলিপাড়া?

মুখ খুললেন চন্দন সেন, কৌশিক সেন, রাহুল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২৩, ১০:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২৩, ১০:২৫

options
link
‘ফাঁসির আসামি বেকসুর খালাস’, কামদুনি ধর্ষণ কাণ্ডে কলকাতা হাই কোর্টের রায় নিয়ে কী বলছে টলিপাড়া? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কামদুনি ধর্ষণ কাণ্ডে শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্ট যে রায় দিয়েছে, তা নিয়ে বহু মহলই অসন্তুষ্ট। যার মধ্য়ে রয়েছে টলিপাড়ার বেশ কয়েকজন বিশিষ্টজন। তাঁরা হাই কোর্টের রায়কে রীতিমতো সমালোচনাও করেছেন।

কামদুনি আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম থেকেই ছিলেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা চন্দন সেন। শুক্রবার হাই কোর্টের রায়ে মোটেই তিনি খুশি নন। সংবাদমাধ্যমকে চন্দন সেন জানান, ”এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের মধ্য়ে মূল ব্যক্তিটি কিন্তু এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে। বারাকপুর থেকে কাকদ্বীপ, অজস্র নির্যাতিতা রয়েছেন। যাঁরা আজও বিচার পান। তবে যে বছর ২১ জুলাইয়ের সভা হল না, সেই বছর ২০ জুলাই কামদুনির জন্য যে মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন কবি শঙ্খ ঘোষ। সেখানে আমিও যোগ দিয়েছিলাম। আজ সেই মিছিলের দিনটা কিছুটা হলেও সার্থক হয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিওয়ালির বাজারে শুধুই ‘টাইগার’ থাকবে! YRF-এর শর্তে পাল্টা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঙ্কার টলিউডের]

অভিনেতা কৌশিক সেন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ”একটু হলেও খারাপ লাগছে। তবে আদালত তো তথ্য প্রমাণের উপর নির্ভর করেই রায় দেন। আসলে সারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিই তো বদলে গিয়েছে। সেটা তো আর সেই সময়ের মতো নেই।”

অন্যদিকে, কামদুনির ধর্ষণ কাণ্ডে হাই কোর্টে রায় নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সংবাদমাধ্য়মে রাহুল জানান, ”এই রায় তো বেশ দুশ্চিন্তার জন্ম দেয়। ফাঁসির আসামি বেকসুর খালাস পাচ্ছে। মহিলাদের সুরক্ষাকে আরও একটু পিছিয়ে দিল এই রায়।”

বান্ধবীর নৃশংস মৃত্যুর প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিলেন। আন্দোলন করেছিলেন সুবিচারের আশায় পথে নেমে। গ্রামের দুই বধূ টুম্পা-মৌসুমীই হয়ে উঠেছিলেন চেনা মুখ। দীর্ঘ দশ বছর পর হয়তো বান্ধবী সুবিচার পাবেন, আশা করেছিলেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী। অথচ শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে যেন সব শেষ! ফাঁসি রদের নির্দেশে আদালত চত্বরেই জ্ঞান হারালেন মৌসুমী কয়াল। মন ভালো নেই টুম্পারও। কান্নায় ভেঙে পড়েন দুজনই। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ভাবনা তাঁদের।

[আরও পড়ুন: বিবেক অগ্নিহোত্রীকে ফুলমার্কস মোদির! গদগদ চিত্তে পরিচালকের মন্তব্য, ‘প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী…’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.