Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Srabanti Chatterjee

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্যর্থতা ভুলে এগিয়ে চলার বার্তা, ভোটের হার ভুলতে চাইছেন শ্রাবন্তী?

নিজেকেই সান্ত্বনা দিলেন অভিনেত্রী!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২১, ১৮:৪৬

options
link
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্যর্থতা ভুলে এগিয়ে চলার বার্তা, ভোটের হার ভুলতে চাইছেন শ্রাবন্তী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জীবনে চলার পথে ব্যর্থতা তো আসেই। তবে তাতে দমে যাওয়ার পাত্রী নন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় (Srabanti Chatterjee)। অতীতের কথা ভুলে এগিয়ে চলাই এখন তাঁর জীবনের লক্ষ্য। সেকথা জানিয়েছিলেন ছবি পোস্ট করলেন ইনস্টাগ্রাম (Instagram) প্রোফাইলে। গাড়ির ভিতরে ছবিটি তুলেছেন শ্রাবন্তী। কালো পোশাকের উপরে পরেছেন সিট বেল্ট। চোখে রয়েছে রোদচশমা। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, “চলার পথে ব্যর্থতাকে সবসময় পিছনে ফেলে যেতে হয়…”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Srabanti ❤️ (@srabanti.smile)

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মৃত্যুর পর না কেঁদে বেঁচে থাকতে কিছু একটা করুন’, প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে আরজি মীরের]

অভিনয়ের থেকে বেশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশি চর্চায় থেকেই শ্রাবন্তী। কম বয়সেই টলিউড পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলের নাম ঝিনুক। রাজীবের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পর মডেল কৃষাণ ব্রজের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। বেশিদিন টেকেনি সেই সম্পর্ক। তারপর শ্রাবন্তীর জীবনে আসেন রোশন সিং। গুরুদ্বারে গিয়ে রোশনের সঙ্গে বিয়ে সেরেছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্ত সেই সম্পর্কেও তিক্ততা আসে। এমন পরিস্থিতিতেই একুশের ভোটের আগে বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়েছিলেন শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। বিপক্ষে তৃণমূলের (TMC Candidate) হেভিওয়েট প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। প্রচার ভালই করেছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু সাফল্য পাননি। ব্যর্থতার সেই ব্যথা ভুলেই বোধহয় এগিয়ে যেতে চাইছেন টলিপাড়ার নায়িকা। তাঁর পোস্ট দেখে এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

এর আগে সংবাদ প্রতিদিনের মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবনের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী। জানিয়েছিলেন, কষ্টের কথা ভাবলে একান্তে তাঁর চোখ দিয়ে জল পড়ে। “মানুষ তো! কষ্ট তো হয়!” বলেছিলেন শ্রাবন্তী। কেউ তাঁকে বোঝার চেষ্টা করেননি বলে অভিযোগ করেছিলেন। তবে সেসব আর ভাবতে চান না শ্রাবন্তী। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বার ছেলে ঝিনুক। সেকথাও জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Srabanti ❤️ (@srabanti.smile)

[আরও পড়ুন: ‘রাধে’ হয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা কি পূরণ করতে পারলেন সলমন? পড়ুন ফিল্ম রিভিউ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.