সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংগীত শিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি৷ আবারও ফুসফুসের সংক্রমণ ও প্রস্টেটের সমস্যা দেখা দিয়েছে তাঁর৷ শনিবার সকালে ১১টা নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি করা হয় বিশিষ্ট এই সংগীতশিল্পীকে৷ ওই হাসপাতালেই আপাতত চিকিৎসা চলছে তাঁর৷
[আমিরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে ভয় পান, স্বীকারোক্তি অমিতাভের]
১৯২৭ সালের ১২ নভেম্বর একেবারে নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্মান দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়৷ রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে তৈরি করেন নিজের পরিচিতি৷ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি৷ সলিল চৌধুরী আর দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় ছিলেন হরিহর আত্মা৷ একসঙ্গে অনেক গানই গেয়েছেন দুজনে৷ ছয়ের দশকে একাধিক ছবিতে রবীন্দ্রসংগীত গেছেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়৷ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাকি তাঁর অনেক মিল রয়েছে৷ দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে অনেকেই একথা বলে থাকেন৷ ‘রেখো মা দাসেরে মনে’, ‘একদিন ফিরে যাব চলে’ এই গানগুলি আজও মানুষের ঠোঁটে ঠোঁটে ফেরে। এর পাশাপাশি ‘জাগো দুর্গা’ গেয়ে জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁয়েছিলেন শিল্পী। এপার বাংলার মতো ওপার বাংলাতেও তাঁর গান নিয়ে চর্চা হয়। তিনি নিজেও বাংলাদেশ গিয়েছেন একাধিকবার। সংগীতে তাঁর ব্যাপ্তি তাঁকে ২০১০ সালে এনে দিয়েছিল পদ্মভূষণ পুরষ্কার। তার পরের বছর বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। ছয়ের দশকের বেশি সময় বাংলা গান ও রবীন্দ্রসংগীতের জগতে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়।
[বাথরুমের ভিডিও শেয়ার করে এ কী বললেন রাখি?]
কয়েকমাস আগে থেকে একাধিক রোগে জর্জরিত দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় বিছানা শয্যা নিয়েছেন৷ রক্তে অক্সিজেনের ওঠানামার ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তিনি৷ পাঁচজনের একটি মেডিক্যাল টিম চিকিৎসা করছিল বিশিষ্ট ওই সংগীতশিল্পীর৷ ওই সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি৷ তবে শুক্রবার রাত থেকেই আবারও অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে বিশিষ্ট সংগীতশিল্পীর৷ শনিবার সকালে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালের আইটিইউতে ভরতি করা হয়েছে৷
সর্বশেষ খবর
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর