এ যেন ছিল রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল! রাতারাতি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের একাংশের রং বদল। জোর করে একদল যুবক বিজেপি পরিচয়ে ভিতরে ঢুকে রং বদলে দিয়েছে বলেই দাবি। সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আচমকা ‘গৈরিকীকরণে’র বিরোধিতায় সরব বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্বরা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে চিঠি দিয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব চন্দন সেন, বিভাস চক্রবর্তীরা। চিঠিতে অরুণ মুখোপাধ্য়ায়, অশোক মুখোপাধ্যায়, মেঘনাদ ভট্টাচার্যরা সইও করেছেন। এই কাজ বিজেপির কারও নয় বলেই দাবি বিজেপি রাজ্য সভাপতির। ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব চন্দন সেনের দাবি, “৮০ বছরের পুরনো অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে কে বা কারা বিজেপি পরিচয়ে ঢুকে সামনে ঘরে গেরুয়া ঘর। বিজেপি নেতাদের ছবি টাঙিয়ে ব্যবহার করছে ইচ্ছামতো। তার আগেই দেখেছি শমীক ভট্টাচার্য বাংলার থিয়েটারের সঙ্গে সম্পৃক্ত।” বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে চন্দনবাবুর আর্জি, “এই খবর নিন। এরকম কেন হবে? যদি বিজেপির তরফে করা হয় তবে কেন আগে জানানো হল না। যারা করছে তারা ৮০ বছরের প্রতিষ্ঠানকে কলুষিত করছে। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সঙ্গে অনেক বিখ্যাত মানুষের নাম জড়িয়ে রয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠানের গায়ে রং করে দেবে? এভাবে কোনওদিন রবীন্দ্র সদন কিংবা কলকাতার সব সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে গেরুয়া রং হয়ে যাবে? কোনওদিন ন্যাশনাল লাইব্রেরির গায়ে রং হয়তো বদলে যাবে? এটা আমরা মানতে পারি না।”
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এটা যারা করেছে। ভুল করেছে। অন্যায় করেছে। রংবদলের রাজনীতি বিজেপির লক্ষ্য নয়। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের নিজস্ব পরিচিতি আছে। শিল্পীরও রং সম্পর্কে নির্দিষ্ট ভাবনাচিন্তা আছে। যেখানে সেখানে গেরুয়া রং করে দেওয়া বিজেপির অ্যাজেন্ডার মধ্যে পড়ে না। আপনারা চিহ্নিত করুন, ব্যবস্থা নেব।” বলে রাখা ভালো, রাজ্যে সরকারের পালাবদলের পর বাস এবং বেশ কয়েকটি স্টেশনের রং বদলের ছবি চোখে পড়েছে অনেকের। স্কুলের নীল-সাদা পোশাকের রঙেও বদল আনা হতে পারে বলেই খবর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতা লিগ উদ্বোধনে ক্রীড়ামন্ত্রী, ব্যারেটোর দলকে উড়িয়ে অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের
-
‘খুচরো নেই, বাস থেকে নামুন’, সারপ্রাইজ ভিজিটে কার্যত ‘ঘাড়ধাক্কা’ খেলেন খোদ পরিবহণমন্ত্রী!
-
ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে কেন মোহনবাগানে? মুখ খুললেন সায়ন, ডার্বির ভেন্যুও চূড়ান্তের পথে
-
জঙ্গলের অন্তরালে বাংলায় এক টুকরো জনপদ, জনসংখ্যা মাত্র ১৬! গ্রামের ইতিহাস আশ্চর্য করবেই
-
এই সমাজ-সংসারে সর্বত্র গুন্ডামি, দমন করবে কে?