সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমসাময়িক নানা বিষয়ে নানা মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তিনি বরাবর সক্রিয়। সংবাদমাধ্যমে হোক বা সামাজিক মাধ্যম, নজর রাখলে তাঁর কোনও না কোনও পোস্ট চোখে পড়ে। বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে (Bangladesh Unrest) যে তিনি কিছু বলবেন না, এমনটা ঠিক প্রত্যাশিত ছিল না। অবশেষে এনিয়ে মুখ খুললেন কবীর সুমন (Kabir Suman)। সোশাল মিডিয়ায় ছোট্ট পোস্টে যা বলার বলে দিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সঙ্গীতকার। কারও নাম না করে তিনি লিখলেন – ‘তোরা ধর্ম আর রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া কাজিয়া ক’রে মর – আমি প্রেম করছি, প্রেম ক’রে যাবো।’

তাঁর রচনায় বরাবর প্রেম আর বিদ্রোহ হাত ধরাধরি করে চলে। যে কোনও অশান্ত পরিস্থিতি আর পাঁচজন যেভাবে দেখে থাকেন, তিনি দেখেন অন্য দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। সেই কারণে সম্ভবত জ্বলন্ত যে কোনও ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য বেশিরভাগ সময় নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। যদিও তাতে কিছু আসে যায় না কবীর সুমনের। বরং বিতর্কের আঁচে ঘি ঢালতে আরও পাঁচটা মন্তব্য করতে তিনি পিছপা হন না। এর আগেও বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কবীর সুমনের নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। কখনও তিনি অগ্নিগর্ভ পরিবেশে আমজনতাকে শান্ত থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
কিন্তু চলতি সপ্তাহে ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী বা চিন্ময় প্রভুর গ্রেপ্তারি নিয়ে ওপার বাংলায় চূড়ান্ত অরাজক পরিস্থিতি। হিন্দুদের উপর নির্যাতন আরও বাড়ছে। শয়ে শয়ে ইসকন ভক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ ও সেনা। সংখ্যালঘুরা সেখানে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে কবীর সুমনের পোস্টের নিশানায় ঠিক কারা? এ বিষয়ে নানাজনে নানা মন্তব্য করলেও ধর্মীয় মৌলবাদকেই তিনি তোপ দেগেছেন, তা অনেকটাই স্পষ্ট। তাঁর পোস্টের প্রথমাংশ ‘তোরা ধর্ম আর রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া কাজিয়া ক’রে মর’ একেবারেই ধর্মে ধর্মে যুদ্ধের বিষয়টিকে নিশানা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। তার পরই অবশ্য প্রেমের জয়গান গেয়ে ‘প্রেমিক’ গায়ক বলছেন, ‘আমি প্রেম করছি, প্রেম করে যাবো।’
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়