Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Poila Baisakh 2025

কলকাতার বুকে বর্ষবরণের জলসা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূর্চ্ছনায় জমে উঠবে নববর্ষ

এক মঞ্চে আসবেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের দিকপালেরা। কোথায়, কখন হবে? জেনে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১৬:৪৬

options
link
কলকাতার বুকে বর্ষবরণের জলসা, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূর্চ্ছনায় জমে উঠবে নববর্ষ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে গোনা মাত্র কদিন। বাঙালির প্রাণের পার্বণ দুয়ারে কড়া নাড়ছে। ফি বছরই নববর্ষ ঘিরে বাঙালিদের মধ্যে আলাদা উন্মাদনা থাকে। আর বর্ষবরণ মানেই কবজি ডুবিয়ে ভূরিভোজ, দেদার আড্ডা আর নাচগানের আসর। অতঃপর শহরের কোথায়, কোন শিল্পীদের অনুষ্ঠান রয়েছে? সেদিকে নজর থাকে সংস্কৃতিপ্রেমী বাঙালিদের। প্রতি বছরের মতো এবারেও দমদম প্রত্যয় ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রয়াসে আয়োজিত হচ্ছে ‘দমদম মার্গ সঙ্গীত উৎসব’। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে বাংলা নববর্ষকে।

শিক্ষামন্ত্রী তথা নাট্যকার ব্রাত্য বসুর উদ্যোগে দমদমের রবীন্দ্র ভবন, সুরের মাঠ‌ে আগামী ১২ এপ্রিল এবং ১৩ এপ্রিল হতে চলেছে এই অনুষ্ঠান। বিকেল ৪টে থেকে অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার অন্যতম পরিচিত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের অনুষ্ঠান ‘দমদম মার্গ সঙ্গীত উৎসব’-এর পঞ্চম সংস্করণ। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের এই উদযাপনে এর আগে এই মঞ্চ অলঙ্কৃত করেছেন দিকপাল শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পীরা। এই বছরও তার ব্যতিক্রম ঘটছে না। প্রথম দিন সঙ্গীত পরিবেশন করবেন উল্লাস কসলকর, পূর্বায়ণ চট্টোপাধ্যায় (সেতার), রাকেশ চৌরাসিয়া (বাঁশি), রূপ কুমার রাঠোর, সোনালী রাঠোর এর গান। এছাড়াও ১৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দিনে পারফর্ম করবেন সুজাতা মহাপাত্র (ওড়িশি নৃত্য), সংযুক্তা দাস (কন্ঠ সঙ্গীত), বিদুষী মিতা নাগ (সেতার), পন্ডিত দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য (চতুরঙ্গী), পন্ডিত তন্ময় বোস (তবলা), বিদুষী অশ্বিনী ভিডে দেশপান্ডে (কন্ঠ সঙ্গীত ), শিবমণি (ড্রামস- একক )।

Advertisement

এই অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সুকান্ত সেনশর্মা ওরফে রাজু। তিনি জানালেন, “দমদম মার্গ সঙ্গীত উৎসবের এই বছর পঞ্চম সংস্করণ। আমরা চেষ্টা করি সুস্থ সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার ঘটানো। নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের নিজেদের সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করানো, একটা ভালো লাগার সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলার এই উদ্যোগ। মানুষ যত বেশি সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা করবেন, সমাজ তত বেশি সুস্থ হবে বলে মনে করি।” বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে দুদিনের এই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উৎসব শহরের সঙ্গীত প্রিয় শ্রোতাদের কাছে এক বিশেষ প্রাপ্তি বলাই যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.