৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছবির নাম ‘বাচ্চা শ্বশুর’। নামেই বোঝা যাচ্ছে ছবিটি আদ্যোপান্ত কমেডি। কিন্তু দর্শকদের কতটা হাসাতে পারল ছবিটি? 

‘বাচ্চা শ্বশুর’ ছবির গল্প মূলত তিনটি চরিত্র ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। শ্বশুর, জামাই ও তার ছেলে। শ্বশুরকে সব জামাই-ই সমঝে চলে। এক্ষেত্রেও তাই। জামাই স্পন্দন বরাবরই শ্বশুরের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চায়। কিন্তু শেষরক্ষা হয় না। ছেলে গুটলুর মধ্যে ঢুকে যায় শ্বশুরের আত্মা। ফলে জামাই যাই করতে যায়, ছেলে গুটলু তার কাজে নাক গলায়। অবশ্য নিজের গলায় নয়। স্পন্দন শুনতে পায় শ্বশুরের গলা। এনিয়ে বারবার সবাইকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। উলটে সবাই তাকেই পাগল ঠাওরাচ্ছে। এমনকী তার স্ত্রীও স্বামীকে বিশ্বাস করতে পারছে না। শেষ পর্যন্ত মনোবিদও দেখানো হয় গুটলুকে। কিন্তু ফল হয় উলটো। সবাই স্পন্দনকেই পাগল বলে। ফলে তার ঠাঁই হয় অ্যাসাইলামে। আর এখানেই গল্প নয়া মোড় নেয়।

প্রেমের পরত খুলতে খুলতে এগোল ‘তৃতীয় অধ্যায়’ ]

হলফেরত দর্শক বলছে ছবির কমেডি বেশ ভাল। তিনটি চরিত্রকে বেশ ভালভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক। জিৎকে এই প্রথম এমন কোনও সিনেমায় দেখা গেল। গতানুগতিক অ্যাকশন ফিল্ম ছেড়ে এমন ছবিতেও যথেষ্ট সাবলীল অভিনয় করেছেন জিৎ। পাশে অভিনেত্রী কৌশানিও যথাযথ। তবে ছবির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ চিরঞ্জিৎ। অভিনয়ে তো বটেই, ডাবিংয়েও মাত করে দিয়েছেন তিনি। এছাড়া শিশুশিল্পী অমন মেহেরা অসাধারণ। দুই তাবড় অভিনেতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করে গিয়েছে সে। তবে কেউ কেউ কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে বাংলা ছবি সাধারণত যেমন হয়, সেই গতানুগতিকতা থেকে বের হতে পারেনি এই ছবিটিও।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিশ্বরূপ বিশ্বাস। গল্প লিখেছেন পাভেল। ছবির গানও লিখেছেন তিনি। ছবিতে একটি গান কম্পোজ করেছেন ও গেয়েছেন অনুপম রায়। তিনি সাধারণত যে ধরনের গান গেয়ে থাকেন, তার থেকে এই গান অনেকটাই আলাদা। জিৎ, চিরঞ্জিৎ, কৌশানি ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য ও ঊর্মিমালা বসু।

সত্যের ‘মুখোমুখি’ দাঁড় করিয়ে দিলেন কমলেশ্বর ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং