Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Ram Setu Review

Ram Setu Review: ভক্তির বিড়ম্বনা! গল্পের গরু গাছে তুলে খেই হারালেন অক্ষয়, পড়ুন ‘রাম সেতু’র রিভিউ

আজগুবি গল্পেই ভরাডুবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২২, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২২, ২০:০১

options
link
Ram Setu Review: ভক্তির বিড়ম্বনা! গল্পের গরু গাছে তুলে খেই হারালেন অক্ষয়, পড়ুন ‘রাম সেতু’র রিভিউ zoom

সুপর্ণা মজুমদার: কোন কথা যে বলি? কোন কথা যে লিখি? শব্দ সামনে পেয়েও খুঁজে বেড়াই, অক্ষয় কুমারের ‘রাম সেতু’ (Ram Setu) সিনেমা যেন এমনই এক চোরাবালি। ছবিকে ‘পর্বতের মূষিক প্রসব’ বলা যেতেই পারে। মহাকাব্য রামায়ণ অক্ষয়ের এ ছবির ভিত। তবে তাতেও কোনও লাভ হয়নি। গল্পের ‘গোমাতা’কে গাছে তুলতে গিয়েই হয়েছে ভরাডুবি। 

Ram-Setu-1

Advertisement

রামায়ণের কাহিনি অনুযায়ী, স্ত্রী সীতাকে উদ্ধার করতে বানরসেনা নিয়ে লঙ্কার দিকে অগ্রসর হন রামচন্দ্র। সমুদ্র দিয়ে ঘেরা ছিল রাবণের সাম্রাজ্য। সেই সমুদ্র পার করতে  নল ও নীলকে সেতু নির্মাণের নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু ‘রাম সেতু’র কি সত্যিই অস্তিত্ব রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার দায়িত্ব পায় প্রত্নতত্ত্ববিদ আরিয়ান কুলশ্রেষ্ঠ (অক্ষয় কুমার)। নাস্তিক আরিয়ান। তার বিশ্বাস, রামায়ণ শুধুই কল্পকাহিনি। কিন্তু গবেষণা করতে গিয়েই এই বিশ্বাস ভাঙে। রামের অস্তিত্বের প্রমাণ পায় সে। তাতেই বাড়ে বিপত্তি। দুষ্টলোকেরা যে সত্যিটা প্রকাশ্যে আসতে দিতে চায় না! তাহলে? 

[আরও পড়ুন: রহস্যের সন্ধানে এবার টলিউডে শার্লক হোমস! ব্যাপারটা কী?]

তাহলে আবার কী? মন্দের বিরুদ্ধে ভালর লড়াই শুরু হয়। নিজের বক্তব্য প্রমাণ করতে দুঃসাহসিক অভিযানে বেরিয়ে পড়ে আরিয়ান। তার এই সফরে সঙ্গী হয় সহকর্মী স্যান্ড্রা রেবেলো (জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ) ও আচমকা উড়ে এসে জুড়ে বসা গাইড এপি (দক্ষিণী অভিনেতা সত্যদেব)। যাকে পরবর্তীকালে হনুমান হিসেবে দেখানো হয়েছে। পুরো সিনেমা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আর সেই উদ্দেশ্য হল রামচন্দ্রের অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়া।

Ram-Setu-2

নিকোলাস কেজ অভিনীত ‘ন্যাশনাল ট্রেজার’ যদি আপনার দেখা থাকে তাহলে এ ছবি খুব একটা মনে ধরবে না। প্রতি পদে প্রশ্ন জাগবে। যেমন আফগানিস্তানে বুদ্ধমূর্তি খুঁজে পাওয়ার সময় অত উঁচু থেকে পড়েও অক্ষয়ের চোখের চশমাটি কীভাবে অক্ষত থাকল? সমুদ্রের গভীরে থাকা অক্ষয় কীভাবে স্যুট থেকে বেরিয়ে ‘রাম সেতু’র পাথর নিয়ে বহাল তবিয়তে উপরে চলে এলেন? এখানে আবার অভিনেতাকে সমুদ্রের উপরে হাঁটতেও দেখা গিয়েছে। অবশ্য তাতে যুক্তি সাজিয়ে অক্ষয়ের পায়ের তলায় ‘রাম সেতু’র অস্তিত্ব পরিচালক দেখিয়ে দিয়েছেন। তাতেই যুক্তি কিছুটা রক্ষা পেয়েছে। তবুও তা নেহাতই কমজোরি।

গোটা সিনেমায় অক্ষয় যেন নিজের চরিত্রের মাধ্যমে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পোস্টারবয় হিসেবেই কাজ করেছেন। ছবিতে তাঁকে দেখেই আবার কিছু দর্শক ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও দিয়েছেন। যেন অক্ষয়ই রামচন্দ্র। ছবিতে অক্ষয়ের স্ত্রী গায়ত্রীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে নুসরত ভারুচাকে। ফুলদানির মতোই তাঁকে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি চরিত্ররাও অক্ষয়ের চরিত্রকে সঙ্গ দিতেই তৈরি। সব মিলিয়ে বলতে গেলে, অক্ষয়ের এ ছবিতে লজিকের থেকে বেশি ম্যাজিকে গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ম্যাজিকও দর্শকদের মনঃপুত হতে হয়। তা অন্তত এক্ষেত্রে হয়নি। কারণ পরিচালক অভিষেক শর্মার ভক্তির প্রাবল্যে সিনেমা নামক বিষয়টি গুরুত্ব হারিয়েছে।

সিনেমা – রাম সেতু
অভিনয়ে – অক্ষয় কুমার, নুসরত ভারুচা, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, সত্যদেব, জেনিফার পিচিনাটো, নাসের, প্রবেশ রাণা
পরিচালনায় – অভিষেক শর্মা।

[আরও পড়ুন: দিওয়ালিতে পাপারাজ্জিদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ বললেন ক্ষুব্ধ জয়া বচ্চন! রেগে লাল নেটিজেনরাও

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.