Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

সৃজিতের ‘উমা’ দেখে কেন কেঁদে ফেললেন এই বিদেশিনী?

কেন এই ছবির খাতিরে কলকাতায় অন্টারিওর বাসিন্দা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:২৫

options
link
সৃজিতের ‘উমা’ দেখে কেন কেঁদে ফেললেন এই বিদেশিনী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্টারিও থেকে কলকাতার দূরত্ব কত? কয়েক হাজার কিলোমিটার নিশ্চয়ই হবে। তা হোক। এখন আর সে দূরত্ব প্রাসঙ্গিক নয়। প্রাসঙ্গিক অন্টারিওর ইভানের কাহিনি। যা রূপ বদলে ‘উমা’ হিসেবে বাংলার বড়পর্দায় ধরা দিয়েছে। মারণ রোগ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিল ইভান। একটাই ইচ্ছে ছিল তাঁর। বড়দিনের উৎসব পালন করবে। কিন্তু ডাক্তাররা জবাব দিয়ে দিয়েছিলেন। বড়দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবে না ইভান। কিন্তু মরণাপন্ন শিশুর শেষ ইচ্ছে তো পূরণ করতে হবে! পাশে দাঁড়ল গোটা গোটা শহর। বড়দিনের আগেই শহরজুড়ে পালিত হল উৎসব। ইভানের এ কাহিনিই প্রভাবিত করেছিল পরিচালক সৃজিতকে। ঠিক করেছিলেন এ কাহিনি তিনি দর্শকদের সামনে তুলে ধরবেন। কথা বলেছিলেন ইভানের মা নিকোল ওয়েলউডের সঙ্গে। ইভান আর নেই। কিন্তু নিকোলের জীবনে, তাঁর মনে আজও সে বেঁচে রয়েছে। তাই সম্মতি দিতে দেরি করেননি তিনিও।

[সিনেমাতেই শ্রদ্ধা ঋতুপর্ণকে, তৈরি হচ্ছে ‘সিজন গ্রিটিংস’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এভাবেই শুরু হয়েছিল ‘উমা’র যাত্রা। অন্টারিওর বড়দিনের উৎসব সৃজিতের ক্যামেরায় বাঙালির একান্ত আপন দুর্গাপুজো হয়ে উঠেছে। বর্ষার আগেই তাই উমার অকালবোধন হয়েছে। মুক্তি পেয়েছে উমা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৃজিতকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন তারকারা। কিন্তু নিকোল? ছবি দেখে তাঁর কী মনে হল? হ্যাঁ, উমার জন্যই প্রথমবার কলকাতায় এসেছেন নিকোল। বৃহস্পতিবার ছবির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে হাজির ছিলেন তিনি। শোনা গিয়েছে, ছবি দেখে আবেগে ভেসে যান ইভানের মা। বিশেষ করে শেষ দৃশ্যে ফোকলা দাঁতে ইভানের ছবি দেখে কেঁদে ফেলেন তিনি।

পর্দায় উমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন যিশু সেনগুপ্তর কন্যা সারা। যিশুই রয়েছেন সারার বাবার ভূমিকায়। এছাড়াও রয়েছে অঞ্জন দত্ত, রূদ্রনীল ঘোষ, শ্রাবন্তী, সায়ন্তিকারা। এর আগের এক সাক্ষাৎকারে নিকোল বলেছিলেন, সারার সঙ্গে আগেই আলাপ হয়েছিল তাঁর। ইভানের সঙ্গে নাকি সারার আশ্চর্য মিল রয়েছে। সারাকে দেখেই ছেলের কথা মনে পড়েছিল তাঁর। ছবি দেখে তাই বোধহয় আবেগে ভাসলেন তিনি। অন্টারিও থেকে এতটা দূরেও ইভানের কাহিনি মানুষের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। তা দেখে বেশ ভাল লেগেছে তাঁর। ভাল এই স্মৃতিগুলিই সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অন্টারিওর বাসিন্দা।

[প্রেম করছেন আলিয়ার সঙ্গে, শেষমেশ স্বীকার করলেন রণবীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.