Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কেমন হল অস্কারে মনোনীত ছবি ‘ভিলেজ রকস্টার্স’?

ছবি দেখার আগে জেনে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১৬:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১৬:০৫

options
link
কেমন হল অস্কারে মনোনীত ছবি ‘ভিলেজ রকস্টার্স’? zoom

চারুবাক: ছবিটি বর্ষসেরা ভারতীয় ছবি হয়ে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক নিয়েছে মাস চার-পাঁচ আগেই। ছবির প্রধান দুই শিল্পী ভনিতা দাশ ও বাসন্তী দাশ (মেয়ে ও মায়ের চরিত্রে) জুরিবোর্ডের কাছ থেকে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সর্বেশেষ সংবাদ- রিমা দাশের সেই ছবি ‘ভিলেজ রকস্টার’ অস্কার প্রতিযোগিতায় সেরা বিদেশি ছবির ক্যাটিগরিতে যাচ্ছে। ফিল্ম ফেডারেশন আর ইন্ডিয়ার জুরি বোর্ডের সদস্যরা ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে সর্বসম্মতিক্রমে মত প্রকাশ করেছেন।

তরুণী রিমার প্রথম ছবি ‘ভিলেজ রকস্টার’। নির্দ্বিধায় তাঁর প্রয়াস আন্তরিক ও মননবিধি সৌন্দর্যে ভরপুর। অসমের হৃদয়পুরকে মাটি-জল-হাওয়ার গন্ধ-বর্ণ নিয়ে এত সুন্দর কোলাজ করে আগে প্রায় কেউই দেখাতে পারেননি। শুধু চিত্রনাট্য লেখা আর পরিচালনা নয়। রিমা আলোকচিত্র সম্পাদনা পোশাক এবং আরও একাধিক বিভাগের দায় কাঁধে নিয়ে ছবিটিকে প্রায় একক প্রয়াসে সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন।

Advertisement

[ ‘মন্টো’র চাবুক অসহ্য বলেই সার্থক নন্দিতার প্রতিবাদ ]

বন্যা বিধ্বস্ত অসমিয়া গ্রাম, বৃষ্টি ভেজা পথঘাট, হাঁটু জলের নদী পেরিয়ে স্কুল যাওয়া, মাঠে গরু ছাগল চরানো, অবসর সময়ে ছবির কিশোরী স্কুল পড়ুয়া ধুনু অন্য তিন ছেলে বন্ধুর সঙ্গে গাছের ডালে চড়ে বসে গুলতানি, স্কুল মাস্টারের বেত্রাঘাত- সব কিছুই ক্যামেরার সামনে এসেছে বাস্তবের চেহারায়। বৃষ্টি বা বন্যা ‘কৃত্রিম’ নয়। ইউনিক এবং ক্যানডিড একাধিক শট নিয়েছেন রিমা। সূর্যাস্তের সময় ছায়াময় দিগন্ত, একা বয়স্কা মায়ের রোজকার দিনলিপি সবকিছুই রিমা তুলেছেন নিখুঁতভাবে। একটা গিটার বাজিয়ে তিন বন্ধুকে নিয়ে একটা গানের দশা তৈরি করার বড় স্বপ্ন ধুনুর।

পরিচালক ছবির নামকরণের মধ্যেই তেমন ইঙ্গিত রেখেছেন। কিন্তু সেই ইঙ্গিত কি বাস্তবের চেহারা নিতে পেরেছে? কিছু চোখ ভোলানো শট পরপর সাজিয়ে দিলেই কি সিনেমা হয়? বিটুইন দ্য শটস প্রাণ স্পন্দন বড় জরুরি। ‘ভিলেজ রকস্টারস’-এ সেই প্রাণটাই নেই। গল্পের বুননে কোনও সুন্দর সেলাই নেই। রয়েছে অগোছাল ভাব। অনেক সময়েই শটের মধ্যেই সময়ের কন্টিনিউইটি বজায় থাকেনি। গিটার কিনে আনল কোথা থেকে? অর্থই বা পেল কোথায়? একটু আগেই ধুনুর ঋতুমতী হওয়ার অনুষ্ঠানে বিশাল ভূরিভোজের অর্থ জোগাড় হল কীভাবে? এসব প্রশ্নের পাশাপাশি আরও বড় জিজ্ঞাসা হল সিনেমায় একটা গল্প বলাও জরুরি। অন্তত ভারতীয় সিনেমায়। সেটাকেই চূড়ান্ত অবহেলা করেছেন রিমা।

‘পথের পাঁচালি’-তে গ্রামীণ ভারত দেখার পর সত্যিই আর সিনেম্যাটিক দৃষ্টি অন্য দিকে যেতে চায় না।

ট্র্যাক পালটে রোম্যান্টিক ছবি, কেমন হল অনুরাগ কাশ্যপের ‘মনমর্জিয়াঁ’? ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.