অনেকদিন পর বড়পর্দায় আপনার রিলিজ। ‘পিঞ্জর’ আসছে। কেমন লাগছে?
খুব ভালো লাগছে।
আরও পড়ুন:
ছোটপর্দায় কাজ করেছেন, কিন্তু বড়পর্দায় সুযোগ কম পেয়েছেন বলে খারাপ লাগা আছে?
ছোটপর্দায় কাজ করছি, আমি খুব গর্বিত। কারণ, টেলিভিশন বহু শিল্পীকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ছোটপর্দায় কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে। আমি ওটা এনজয় করি। ছোটপর্দায় কাজ করতে না পারলে আমি মিস করব। বড়পর্দায় কম ডাক পাই। তার জন্য মনে হয় কেন ডাক পাই না। কখনও মনে হয়, হয়তো সঠিক সময় আসেনি। আরও ভালো কাজ করতে হবে। নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। তাহলে নিশ্চয়ই বড়পর্দায় ডাক পাব।
‘পিঞ্জর’ ফেস্টিভ্যালে সমাদৃত। ‘কিফ’-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক উৎসবে গিয়েছে। ট্রেলার নজর কেড়েছে। আপনার চরিত্রটা কেমন?
আমি একজন শহুরে কর্মরত মহিলা। উপার্জনক্ষম হলেও স্বাধীন নয়। সমাজের পিঞ্জরে আটকে থাকা নারী। সংসার আছে, ছেলে আছে, স্বামী আছে। কর্মরতা হলেও মেয়েটি কেন স্বাধীন হতে পারেনি, কীভাবে পিঞ্জরে আটকে আছে, সেটা দেখার জন্য ছবিটা দেখতে হবে।

পরিচালক রুদ্রজিৎ রায় আপনার স্বামী, তাঁর ছবিতে কেন্দ্রচরিত্রে আপনি। স্বজনপোষণের প্রসঙ্গ উঠতে পারে?
যখন রুদ্রজিৎ সিনেমাটা করেছে, তখন ও আমার স্বামী ছিল না, প্রেমিকও ছিল না। নিছক একজন পরিচালক ছিল আর আমি তাঁর অ্যাক্টর ছিলাম। ‘পিঞ্জর’-এ অভিনয় করতে করতে আমাদের পরিচিতি বাড়ে। তারপর প্রেমের পিঞ্জরে আবদ্ধ হই। সবশেষে বিয়ের পিঞ্জরে (হাসি)।

পালাবদলের পরে কাজ একটু বেশি পাবেন আশা করছেন?
পালা বদলের পরে আশা করব কেন! বিজেপি পার্টি কাউকে তো বলেনি যে, আমাদের পার্টি করলে তোমরা এক্সট্রা করে কাজ পাবে। বা পার্টি তো বলেনি কাজ পাইয়ে দেবে। ২০২১ সালে আমার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ আমি বিজেপি দলে জয়েন করেছিলাম। কিছুদিন আমার কাজে খুবই অসুবিধা হয়েছিল। তখন যারা শাসকদলে ছিল তারা অসুবিধা করেছিল। তারপরে আমি নিজের যোগ্যতায়, নিজের চেষ্টায় কাজ করেছি। পালাবদলের পরে নিজেদের যোগ্যতা থাকলে নিশ্চয়ই কাজ পাব। আশা করি আগের সরকারের চাপিয়ে দেওয়া নিয়ম যদি না থাকে, বা গিল্ডের এত সংখ্যক লোকজন নিয়ে কাজ করতে হবে সেই সব যদি না থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবে অনেক ছোট ছোট কাজ হবে। অনেক ছোট ছোট প্রযোজকরা এগিয়ে আসবেন, স্বাধীন সিনেমা হবে। তখন সব আর্টিস্টদের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

‘পিঞ্জর’-এর প্রচারে প্রথম পর্বে স্বপন দাশগুপ্ত, লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখকে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে এঁরা যেমন যুক্ত, তেমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছবির সঙ্গে যোগসূত্রটা …
নিশ্চয়ই ওঁরা ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। রূপাদি, লকেটদি, শর্বরীদিও এসেছিলেন। স্বপন দাশগুপ্ত পলিটিকাল ব্যক্তিত্ব, আমাদের ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে হয়তো ওঁর সেভাবে যোগাযোগ নেই। কোনও ইভেন্টে কারা আসবেন, না আসবেন সেটা পিআর টিম ঠিক করে। সেদিনও তারাই ঠিক করেছিল। আর সেদিন ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ফলত, তেমনই কর্মসূচি ছিল। এবার অপেক্ষা ছবি রিলিজের। ১০ জুলাই দর্শক কী বলে তার অপেক্ষায় আছি।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের মাঝেই হৃদয় ভেঙে হাজার টুকরো! ভূমিকম্পে মৃত আর্জেন্টিনা তারকার স্ত্রী-সন্তানরা
-
চোখ রাঙাচ্ছে চিন! মাত দিতে ড্রাগনের অস্ত্রেই ভারতের পালটা, মাঠে নামছে সেনার নতুন বাহিনী
-
হিন্দুদের বঞ্চিত করে মুসলমানদের সংরক্ষণ! বাম-তৃণমূলের ‘ভুল শোধরাতে’ জোড়া ওবিসি বিল বিধানসভায়
-
আর্থিক বেনিয়ম-সংগঠনের চাপ! সকাল থেকে বন্ধ ২৩৯ রুটের বাস, নাকাল যাত্রীরা
-
দুঃস্বপ্নের দুবাই! জন্মদিন উদযাপন করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে জ্যাসমিন