সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের অন্যতম দাপুটে অভিনেত্রীদের নাম বললেই যে নামগুলি উঠে আসে, তার মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছেন নীনা গুপ্তা। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা, একটা সময় দাপিয়ে অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁর হাতে নাকি কোনও কাজ নেই। আর কাজ চেয়ে এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারস্থ। ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি দিয়ে নীনা লিখেছেন,‘আমি মুম্বইতে থাকি, কাজ করি, ভাল অভিনয় করি। ভাল চরিত্রের খোঁজ করছি।’ নীনার সেই পোস্টে কমেন্ট করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নীনার পোস্ট তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান পিগি চপস।
[কেন ফ্লপ হচ্ছে বলিউডের সিনেমা? উত্তরের খোঁজে অক্ষয় কুমার]
নীনার সেই পোস্ট শেয়ার করেন তাঁরই কন্যা মাসাবা। তবে মাসাবার পোস্টে কোথাও যেন উঠে এলো এই মুহূর্তে বলিউডের সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় ‘নেপোটিজম’। কারণ নীনার ইনস্টাগ্রামের পোস্ট শেয়ার করে মাসাবা লেখেন, ‘আমি কিছুদিন আগেই একজনকে বলছিলাম, আমি কখনওই কাজ চাইতে ভয় পাই না বা লজ্জা পাই না। এটা জিনগত। আমার জাতীয় পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী মা ইনস্টাগ্রামে একটা পোস্ট করেছেন। মা আমাকে বলেন, কাজ করতেই হবে, যে কোনও কাজ। কাজ কখনও বয়স বাড়তে দেয় না। মেয়েরা কখনও বয়স জানাতে চায় না। মা কিন্তু বয়সটা লিখেছেন। তিনি নিজে মনে করেন, তাঁর জনসংযোগ খুবই খারাপ। কিন্তু তাঁর কাজই তাঁর একমাত্র জনসংযোগ। সবসময়ই তিনি যা চেয়েছেন তাই পেয়েছেন। তবে এখন আমি তাঁকে পরামর্শ দিয়ে বলি, সম্মান বজায় রেখে কাজ করতে। কারণ তিনি একটা অদ্ভুত ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন। তবে তিনি আমায় সর্বদা বলে থাকেন, নিজের জোরে কাজ করতে।’
[‘ইন্দু সরকার’ ছবির শো ঘিরে বিক্ষোভ কংগ্রেস ও বিজেপির]
মাসাবার এই পোস্ট থেকেই শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। ঘুরিয়ে হলেও মাসাবার এই পোস্ট যেন নেপোটিজমের দিকে ইঙ্গিত করছে। স্বজনপোষণ নিয়ে যখন প্রায় দু’ভাগে বিভক্ত বলিউড। তখন মাসাবার এই পোস্টে প্রিয়াঙ্কার মন্তব্য যে কিছুটা হলেও ইন্ধন জোগাবে তা বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ খবর
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর
-
‘শেখানো তোতাপাখি’ করে রেখেছিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী! বিস্ফোরক অভয়ার বাবা