সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পথিক তুমি কোন পথের? যে পথে নেই ক্লান্তি। নেই নিয়মের বেড়াজাল। সেই লোকলজ্জার ভয়। নেই সমাজের রক্তচক্ষু। আছে কেবল ভালবাসা। ছন্নছাড়া জীবন আস্বাদ। এমনই পথের সন্ধান দিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এনআইডিয়াজ ক্রিয়েশন ও প্রোডাকশনস-এর প্রযোজনায় নিয়ে এলেন বহু অপেক্ষিত বাংলা রোড মুভি ‘উড়নচণ্ডী’। নবাগত পরিচালক অভিষেক সাহার এ ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন তিন নারী। চিত্রা সেন, সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও রাজনন্দিনী পাল। তাঁদের সঙ্গ দিয়েছেন অভিনেতা অমর্ত্য রায়। প্রকাশ্যে এল ছবির থিয়েট্রিক্যাল ট্রেলার।
[করেনজিত থেকে সানি লিওন, বোল্ড জার্নির ঝলক বায়োপিকের ট্রেলারে]
সারাটা জীবন লাঞ্ছনা, গঞ্জনা সইতে হয়েছে। রেহাই দেয়নি ছেলেরাও। জীবনসায়াহ্নে এসে এ ব্যথা থেকে মুক্তি চায় সাবিত্রী। তাই এই বয়সেও বেরিয়ে পড়েছে জীবনের খোঁজে। পুরুষের লালসার কঙ্কালসার চেহারা দেখেছে বিন্দি। মেয়ে হয়ে জন্মালে ঘরে বর মারবে, আর রাস্তায় বেরলে অন্য পুরুষ ঝাঁপিয়ে পড়বে। এই তাঁর বিশ্বাস। এই বিশ্বাসই ভাঙতে চায় বিন্দি। পথেই খোঁজে সে মুক্তির নতুন পথ। ভালবাসা খোঁজে মিনু। কিন্তু বাস্তবের কঠিন মাটিতে স্বপ্ন ভাঙতে সময় লাগেনি। নতুন করে সেই স্বপ্ন জোড়া লাগাতে পথে নেমেছে সে। এই তিন নারীর সঙ্গে জুড়ে যায় ছোটুর জীবন। হারানো পথের খোঁজেই তিন ‘উড়নচণ্ডী’র সঙ্গে চতুর্থ সঙ্গী হয়ে বেরিয়ে পড়ে এই যুবক।
নিজেকে প্রযোজক বলতে নারাজ প্রসেনজিৎ। বাংলার দর্শকদের জন্য একটা ভাল সিনেমা তৈরি করেছেন তিনি ও তাঁর টিম। ছবিতে ঘরের কোনও শট নেই, পুরোটাই রাস্তাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এমন ছবির জন্য সৌমিক হালদারের ক্যামেরার উপরই ভরসা রেখেছেন বুম্বাদা। সে ভরসার মান রেখেছেন সৌমিক। কাহিনিকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন তিনি। সংগীতের দায়িত্বে রয়েছেন দেবজ্যোতি মিশ্র। ছবির নতুন এই বিষয় ভাবনা দর্শকদের পছন্দ হবে বলেই আশা গোটা টিমের।
[অপরাধীদের গৌরবাণ্বিত করা অনুচিত, ‘সঞ্জু’ প্রসঙ্গে খোঁচা প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের]
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়