Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

জন্মাষ্টমীতে আসছেন মুক্তিদেবী, ‘গোত্র’-র টিজারেই পরিবারকে চেনালেন বাড়ির কর্ত্রী

দেথুন টিজার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৯, ১৭:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৯, ১৭:১৯

options
link
জন্মাষ্টমীতে আসছেন মুক্তিদেবী, ‘গোত্র’-র টিজারেই পরিবারকে চেনালেন বাড়ির কর্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে নিজের বাড়ির ঠিকানা দিলেন মুক্তিদেবী। তাঁর ভালবাসার আস্তানার নাম ‘গোবিন্দ ধাম’। বাড়িতে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ রয়েছে। নিত্য পুজোও হয় আবার। অতঃপর বোঝা গেল কেন জন্মাষ্টমীতেই আসছেন মুক্তিদেবী। এত্তসব খবরের জানান দিলেন মুক্তিদেবী নিজেই। কীভাবে? ‘গোত্র’-র টিজারে। আজ্ঞে! অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশ্যে এল শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নন্দিতা রায়ের পরবর্তী ছবি ‘গোত্র’-র টিজার।  

[আরও পড়ুন: দেবীর অকালবোধনে দেব! প্রকাশ্যে ‘সাঁঝবাতি’র ঝলক]

Advertisement

দিন দুয়েক আগেই উইন্ডোজের দেওয়ালে ভেসে উঠেছিল মুক্তিদেবীর ছবি। আলাপ হয়েছিল সেই স্বাধীনচেতা, মুক্তমনা, সাহিত্যমনস্কা এবং যুক্তিবাদী  মহিলাটির সঙ্গে। তখনই জানান দিয়েছিলেন যে জন্মাষ্টমীতে তাঁর ছেলের গল্প নিয়ে হাজির হবেন। তবে, ছেলেটি কে? এবার মুক্তিদেবী পরিচয় করালেন তাঁর একমাত্র সন্তান অনির্বাণের সঙ্গে। অনির্বাণের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সাহেব চট্টোপাধ্যায় । সজলদা, পুরোহিত মশাই, পরিচারিকা- একে একে বাড়ির সব সদস্যদের সঙ্গেই পরিচয় করালেন তিনি। পরিচারিকা ঝুমাকে নিজের মেয়ের মতোই দেখেন মুক্তিদেবী। ঝুমার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মানালি ঘোষ। ওদিকে রীতম ওরফে বাদশা মৈত্র মুক্তিদেবীর আদরের ‘অনি’র ছেলেবেলার বন্ধু। সেও অবশ্য মাঝেমধ্যে মুক্তিদেবীর ‘গোবিন্দ ধাম’-এ ধরা দেন।

[আরও পড়ুন: জন্মাষ্টমীতেই আসছেন মুক্তিদেবী, প্রকাশ্যে ‘গোত্র’ ছবির নয়া পোস্টার]

তবে, বাড়ির সব সদস্যদের মধ্যে একজনের উপর বেজায় রাগ মুক্তিদেবীরূপী অনুসূয়া মজুমদারের। রাগ নয় ঠিক। আসলে খুনসুটির সম্পর্ক। “বুড়োভাম, শেষকালে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে…”, তা রাধাকৃষ্ণ পূজারিণীর সেই ‘বুড়োভাম’টি কে?  ইনিই সেই তারেক আলি (নাইজেল আক্কারা)। যার সঙ্গে মুক্তিদেবীর  রক্তের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে, ‘গোবিন্দ ধাম’ই তাঁর ঠিকানা হয়ে উঠেছে এখন। লেখাপড়া শেখেনি তারেক। অতএব, সাহিত্যমনস্কা মুক্তিদেবীর যে তাঁর উপর সূক্ষ্ম একটা রাগ থাকবেই, তা আন্দাজ করাই যায়। বলে কি না বিভূতিভূষণের নামই শোনেনি সে। আর এখানেই রাগ মুক্তিদেবীর। তবে তারেকের সব ভুল মুক্তিদেবীর কাছে ‘মাফ’! কারণ?  তাঁর কথায়, তারেকের মনটা সোনা দিয়ে বাঁধানো। দরকারে-অদরকারে মুক্তিদেবীর অন্ধের যষ্ঠী এই তারেকই। সবসময়ে খেয়াল রাখে তাঁর। কিন্তু কেন? ও তো তারেক। আর মুক্তিদেবী তো রাধাকৃষ্ণের ভক্ত। তা কাছের মানুষ হতে গেলে কী আর ‘গোত্র’-র দরকার হয়? প্রশ্ন ছুঁড়লেন শিবু-নন্দিতার মুক্তিদেবী ওরফে অনুসূয়া মজুমদার। উত্তর মিলবে জন্মাষ্টমীর দিন। কারণ, সেই দিনই নিজের ছেলেদের নিয়ে দর্শকদের গল্প শোনাতে আসছেন তিনি। হানাহানি, যুদ্ধ, রক্তারক্তি, সাম্প্রদায়িকতার ঝান্ডাধারীদের তাণ্ডবে গোটা বিশ্বে আজ বিপন্ন মানবজাতি। রক্তমাংসের মানুষের কি সত্যিই আলাদা কোনও ‘গোত্র’ হয়?  শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নন্দিতা রায়ের ছবিতে সেই বিষয়বস্তুকে কীভাবে প্রেক্ষাপট হিসেবে তুলে ধরছেন তাঁরা,  সেটাই দেখার অপেক্ষায়।     

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.