সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আ অব লওট চলে’, ‘বাগবান’-এর মতো ছবির অভিনেত্রী। আর তেমন বলার মতো ছবি করেননি একসময়ের লাস্যময়ী অভিনেত্রী সুমন রঙ্গনাথন। কিন্তু একসময় স্বামী বান্টি ওয়ালিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর খুবই চর্চায় ছিলেন এই ৪৩ বছরের কন্নড় অভিনেত্রী। একবছরও টেকেনি সেই হাই প্রোফাইল বিয়ে। কেন ভেঙেছিল বিয়ে? প্রাক্তন স্বামী গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন তখন। সুমনের নাকি তাঁরই এক তুতোভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। শুধু তাই নয়, জিম ট্রেনারের সঙ্গেও নাকি ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী, এমনটাই অভিযোগ তুলেছিলেন বান্টি।

একবছরও কাটেনি বিয়ের। তাতেই প্রকাশ্যে কলহে লিপ্ত হয়েছিলেন সুমন ও বান্টি। ২০০৬ সালে বিয়ের চার মাসের মধ্যেই একতা কাপুরের একটি পার্টিতে নাকি সবার সামনে হাতাহাতি করেছিলেন দুজনে। তারপরেই নাকি ব্যাগ গুছিয়ে বান্টির ঘর ছাড়েন সুমন। প্রথমে দুজনেই এই অশান্তির কথা উড়িয়ে দেন। কিন্তু এক সপ্তাহ বাদেই বান্টি মিডিয়ার সামনে বোমা ফাটান। বলেন, ‘ভালবাসা, টাকা, স্বাধীনতা সবকিছু দেওয়ার পরও সুমন আমাকে ব্যবহার করেছে শুধু। আমার ও পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করে, ভামূর্তি নষ্ট করেও ক্ষান্ত হয়নি সুমন। তারপরেও আমাকে নোটিস পাঠিয়ে ২ লক্ষ টাকা প্রতি মাসে খোরপোশ দাবি করে সুমন। পালি হিলে ফ্ল্যাট আর একটা গাড়িও দাবি করে ও।’

বান্টিও এও দাবি করেন, বিয়ের পর যা যা কিছু তিনি সুমনকে দিয়েছিলেন সবই নাকি অভিনেত্রী ব্যাগে গুছিয়ে নিয়ে চলে যান। কটা ব্যাগ ছিল জানেন? সবমিলিয়ে ২৪টা। নিজেরই তুতোভাইয়ের সঙ্গে সুমনের ঘনিষ্ঠতা দুঃসহ হয়ে উঠেছিল বান্টির। একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, পার্টি করা, লাঞ্চ-ডিনারে যাওয়া, সবই প্রকাশ্যে মেনে নিতে পারেননি বান্টি। একটা সময়ে তুতোভাইয়ের বাড়িতেই সময় কাটাতে শুরু করেন সুমন। একটা সময় এই অ্যাফেয়ার সহ্য করতে না পেরে সুমনের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করেন বান্টি। তখনই বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদল হতেই আন্দোলনের পথ ছাড়ল কুড়মিরা, রেল-সড়ক অবরোধ থেকে সরে আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীকে
-
বিনা যুদ্ধে নাহি দিব… হেরেও অমলিন থাকবে ভোজিনহাদের রূপকথা, কষ্টের জয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা
-
নির্দল থেকে চেয়ারম্যান পদে! তৃণমূলের সমর্থনে কামারহাটির পুরপ্রধান লকেটের দাদা
-
বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল
-
বিজ্ঞান জগতেও সমাদৃত শ্যামাপ্রসাদ! নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার নামকরণে ‘ভারত কেশরী’