সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই কিছুদিন হল প্রাক্তন স্বামী বিয়ে করেছেন৷ এর মধ্যেই তাঁর বিয়ের গুঞ্জনও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ বলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, আবার নাকি বিয়ে করতে চলেছেন করিশ্মা কাপুর৷ এই পাত্রও আবার এক ব্যবসায়ী৷ নাম সন্দীপ তোশিয়ানি৷ মুম্বইয়ের বাণিজ্য মহলে বেশ নাম ডাক রয়েছে করিশ্মার সাম্প্রতিক বয়ফ্রেন্ডের৷
[কুলভূষণ কাণ্ডের জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে সব আলোচনা বন্ধ করল ভারত]
শোনা যাচ্ছে, এই বছরই নাকি বিয়েটা সেরে নিতে চলেছেন করিশ্মা৷ শুধু অপেক্ষা করছেন সন্দীপের বিবাহ বিচ্ছেদের৷ সন্দীপের আগের পক্ষের স্ত্রী অশিতা এতদিন এই বিচ্ছেদে রাজি ছিলেন না৷ কারণ ছিল খোরপোশ নিয়ে বোঝাপড়ার অভাব৷ সন্দীপের কাছে মাসিক আট লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন অশিতা৷ সেই সঙ্গে মুম্বইতে একটি ফ্ল্যাট৷ মেয়েদের ভরনপোষণের দায়িত্বও নিজের কাছেই রাখতে চেয়েছিলেন তিনি৷ জানা গিয়েছে, শেষমেশ আট কোটি টাকায় সন্দীপ ও অশিতার মধ্যে বিচ্ছেদের রফা হয়েছে৷ এরপরই প্রথম বিয়ের ফাঁস থেকে মুক্ত হবেন সন্দীপ৷ তারপরই আবার করিশ্মার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবেন তিনি৷

[আমেরিকার MOAB-কে যোগ্য জবাব, রাশিয়ার অস্ত্রভাণ্ডারে ‘ফাদার অফ অল বম্বস’]
কাপুর কন্যার ইতিহাসও প্রায় একই৷ ২০০৩ সালে ঘটা করে তাঁর বিয়ে হয়েছিল বিজনেস টাইকুন সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে৷ ২০০৫ সালে জন্ম হয় মেয়ে সামায়রার৷ ছেলে কিয়ানের জন্ম ২০১০ সালে৷ এরপর থেকেই দু’জনের সম্পর্ক তেতো হতে শুরু করে৷ সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনেছিলেন করিশ্মা৷ শেষমেশ ২০১৬ সালে বোঝাপড়ার মাধ্যমে তাঁদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়৷ কিছুদিন আগেই দিল্লিতে প্রেমিকা প্রিয়া সচদেবের সঙ্গে বিয়েটা সেরে ফেলেন সঞ্জয়৷ নিউ ইয়র্কে দু’জনের রিসেপশন হওয়ার কথা৷ তারপর থেকেই নাকি সন্দীপকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন বলিউড তারকা৷ অপেক্ষা করছেন শুধু বয়ফ্রেন্ডের ডিভোর্সের৷ সেই কাজটি সারা হয়ে গেলেই নাকি আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়বেন করিশ্মা৷
[ফের বাতিল ‘পদ্মাবতী’র শুটিং, এবার কারণ দীপিকা]
সর্বশেষ খবর
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা