সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের সিনেমা বাংলার আঙিনায়। মঞ্চ তৈরিই ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ ছিল। তাঁরা এলেন, প্রদীপ জ্বালিয়ে সূচনা করলেন ২৩তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। যেন তারকার হাট বসেছিল। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান তো ছিলেনই, পাশে হাজির ছিলেন কমল হাসান, মহেশ ভাট, কাজল, ব্রিটিশ ফিল্মমেকার মাইকেল উইন্টারবটম।
একই মঞ্চে এত তারকার সমাবেশ দেখতে নেতাজি ইন্ডোরে ভিড় জমিয়েছিলেন দর্শকরাও। সময় মেনেই শুরু হল উৎসব। সঞ্চালক পরম-যিশুর অনুরোধে অতিথিদের বরণ করে নিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দেব, কোয়েল, শুভশ্রী, ইন্দ্রাণী হালদাররা। কমিটির সদস্য সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষ, সন্দীপ রায়দেরও দেওয়া হল ধন্যবাদ। প্রদীপ জ্বালিয়েই হল সূচনা। শাহরুখ প্রকাশ করলেন উৎসবের স্যুভেনির।
[চলচ্চিত্র উৎসব: আন্তর্জাতিক আঙিনায় বাংলাকে তুলে ধরবে এই ছবিগুলি]
পারকাশনিস্ট বিক্রম ঘোষ, তন্ময় বোস এবং সরোদিয়া তেজেন্দ্রনারায়ণের সমবেত অনুষ্ঠান ‘ইলুমিনেশন’ পরিবেশিত হওয়ার পরই বক্তব্য শুরু করলেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়। পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। এর পরই এলেন ঘরের মেয়ে কাজল। শিকড়ের টানে ফের চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনে এসে ধন্যবাদ দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। একই সুর শোনা গেল মাইকেল উইন্টারবটমের কথাতেও। মহেশ ভাট স্মরণ করিয়ে দিলেন সিনেমার মাধ্যমে বাক স্বাধীনতার অধিকারকে। উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন কমল হাসানও।

চেনা ছন্দ শোনা গেল বলিউড বাদশা শাহরুখের মুখে। আগের মতোই ভাঙা ভাঙা বাংলা বলে মন জয় করে নিলেন উপস্থিত দর্শকের। কথা দিলেন পরের বার ধুতি-পাঞ্জাবি পরেই উৎসবে অংশ নেবেন। বাদশার পরই এল শাহেনশার পালা। ‘আমি আপনাদের জামাইবাবু’- গম্ভীর কণ্ঠ শোনা যেতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠলেন দর্শকরা। সিনেমায় সংগীতের মাহাত্ম্য নিয়ে সরব হলেন বিগ বি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে সলিল চৌধুরী, এসডি বর্মন, আরডি বর্মন থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, বাদ দিলেন না কারও অবদানকে।
সব শেষে বলতে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব যে সারা ভারতের সেরা চলচ্চিত্র উৎসব জোর গলায় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমন্ত্রিতদের জানালেন ধন্যবাদ। নিজের টলিউডের শিল্পী ও সহ-মন্ত্রীদের নামও শোনা গেল তাঁর মুখে। নিন্দুকদের হাজার আপত্তি সত্ত্বেও বাংলা নিজের সংস্কৃতিকে বজায় রাখবে সে কথাও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাই শাহরুখের ধুতি-পাঞ্জাবি নিয়েও রসিকতা করলেন। এবার বাংলায় পাড়ায় পাড়ায় সিনেমা দেখানো হবে। যা এর আগে কখনও কোথাও হয়নি।
সাতদিন ধরে চলবে উৎসব। ৬৫টি দেশের ১৪২টি সিনেমা দেখানো হবে। নন্দন, রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, নজরুল তীর্থ-সহ কলকাতার ১২ জায়গায় প্রদর্শিত হবে সিনেমাগুলি। শুরুটা হল ইরানের চলচ্চিত্র ‘ইয়েলা’ দিয়ে।
[চতুর্থবার চলচ্চিত্র উৎসবে এসে কী বললেন অমিতাভ বচ্চন?]
সর্বশেষ খবর
-
‘পার্লামেন্টে বসে নজর কাড়তে লিপস্টিক পরি না’, দিল্লি থেকে ফিরেই মাঠের কাজে সাংসদ, কাকে বিঁধলেন?
-
ইয়ামাল নামতেই বিধ্বংসী স্প্যানিশ আর্মাডা, সৌদিকে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় স্পেনের
-
মেয়ে পরকীয়ায় জড়িয়েছে মানতে নারাজ মা! জামাইয়ের নালিশের প্রতিবাদ করায় শুরু হাতাহাতি, তারপর…
-
রয়েছে সোনালী খেঁকশিয়াল থেকে ভল্লুক, এবার কনজারভেশন রিজার্ভের তকমা পাচ্ছে কোটশিলা-ঝালদা বনাঞ্চল!
-
কাপের দাপুটে ব্যাটিং, টি-২০ বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হেরে সেমির দৌড়ে অঙ্ক জটিল ভারতের