সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাস তিনেক হয়ে গেল বিয়ে করেছেন ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহেলাতা হ্যায়’ অভিনেত্রী মোহেনা কুমারী। বিয়ের ছবিও তিনি পোস্ট করেছিলেন ইনস্টাগ্রামে। কিন্তু সেই ছবির জন্যই যে তাঁকে সমালোচনার শিকার হতে হবে, তা বোধহয় তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি। বিয়েতে ঘোমটা দেওয়া নিয়ে তাঁকে এখন নেটদুনিয়ায় অহরহ সমালোচিত হতে হচ্ছে।
ছোটপর্দায় তিনি পরিচিত মোহেনা। ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহেলাতা হ্যায়’ ধারাবাহিকে কীর্তি গোয়েঙ্কার ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ১৪ অক্টোবর হরিদ্বারে উত্তরপ্রদেশের ক্যাবিনেট মন্ত্রী সুরেশ রাওয়াতের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ আপলোড করেছিলেন অভিনেত্রী। বিয়েতে লাল আর সোনালি রঙের লেহেঙ্গায় সেজেছিলেন মোহেনা। সঙ্গে ছিল রাজওয়াড়ার গয়না। তিনি যে সত্যিই রাজকুমারী, তা তাঁর রাজবেশেই স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল। মোহনার বাবা পুষ্পরাজ সিংহ মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার রাজা। এখন অবশ্য সেই রাজাও নেই, রাজপাটও নেই। কিন্তু শরীরে তো রাজকীয় রক্তই বইছে। তাই সমস্ত নিয়ম মেনেই বিয়ে সম্পন্ন হয়। রীতি মেনেই লম্বা ঘোমটা টেনে বিয়ে করেন তিনি। আর এই ঘোমটা নিয়েই যত গন্ডগোল।
[ আরও পড়ুন: ‘বড়লোকের সন্তানরা আউটসাইডার নন’, রণবীর সিংকে কটাক্ষ রঙ্গোলির ]
নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, “মুখ ঘোমটায় ঢেকে রেখেছ কেন?” অবশ্য এর উত্তরও তাঁরাই দিয়েছেন। লিখেছেন, “এঁরা সেই সব মানুষ যাঁরা পুরুষশাসিত সমাজের সো-কলড নিয়ম মেনে চলেন। শিক্ষাও এঁদের বুদ্ধি জোগাতে পারে না।” নেটিজেনদের এমন সমালোচনার জবাবও দেন মোহনা। তিনি লেখেন, “খ্রীস্টানরাও বিয়ের সময় ঘোমটা দেয়। মুসলিমরাও দেয়। আমার মনে হয়, তাহলে তারাও অশিক্ষিত। এটি রাজপুতদের পুরনো রীতি। বিয়েতে রাজপুত রমণীরা এই রীতি মেনে চলেন।” তিনি এটাও লেখেন যে, তাঁকে ঘোমটা দেওয়ার জন্য কেউ জোর করেনি। তিনি স্বেচ্ছায় ঘোমটা দিয়েছেন।
[ আরও পড়ুন: বড়পর্দায় ফিরছেন অভিষেক, শেয়ার করলেন বছরের প্রথম ছবির পোস্টার ]


সর্বশেষ খবর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
-
মমতার জন্যই ধ্বংস ইন্ডিয়া জোট, নীতীশের এনডিএ যোগের নেপথ্যেও কালীঘাট! প্রকাশ্যে রিপোর্ট