সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়ংকর অথচ সুন্দর। তীব্র চোখের চাহনি, তবে বিশাল প্রতিমার দর্শন পেলেই অন্তরে ভক্তিরসের সঞ্চার হয়। এমনই নৈহাটির বড়মা। কালীপুজোর (Kali Puja 2024) ঠিক আগে দেবী স্বপ্নে দেখা দিলেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে (Shruti Das)। কেমন ছিল সেই অনুভূতি, সোশাল মিডিয়ায় জানালেন বাংলা টেলিভিশনের ‘রাঙা বউ’।

অরিন্দম ভট্টাচার্যর চিত্র পরিকল্পনায় মডেল পিয়াই দত্তকে বড়মার রূপ দিয়েছেন মেকআপ শিল্পী সুরঞ্জন দাস। অলঙ্কার সৌজন্যে চন্দ্রাণী ধামালি। প্রতিমা মৃণ্ময়ী না চিন্ময়ী? এক নজরে দেখে বলা মুশকিল। তারই ছবি শেয়ার করে শ্রুতি লেখেন, ‘স্বপ্ন দেখলাম বড়মাকে অনেক উঁচুতে উঠে বরণ করছি। ঘুম থেকে উঠে দেখি বেশিরভাগ পোস্ট ওনাকে নিয়ে। জয় বড়মা। কপালে থাকলে আবার তোমায় একদিন দেখতে যাব মা। সুরঞ্জন মেকআপটা ভালো হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত বছর নৈহাটির বড়মার পুজোর একশো বছর পূর্ণ হয়েছে। নবরূপে সাজানো হয়েছে মন্দির। গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে মায়ের কষ্টি পাথরের মূর্তি। সেখানে নিত্যদিন পূজিত হন মা। নিয়ম মেনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন শুরু হয় ২১ ফুটের মাটির প্রতিমা তৈরির কাজ। পুজোয় কয়েকশো সোনা ও রুপোর গয়নায় প্রতিমা সাজানো হয়। বির্সজনের দিন গয়না খুলে ফুলের সাজে সাজানো হয় মাকে।

পুজোর সময় অগণিত ভক্তের সমাগমে গমগম করে মন্দির এলাকা তথা নৈহাটি শহর। বড়মার আরাধনার পরই শহরের অন্যত্র শুরু হয় পুজো। ভক্তদের আবেদন মেনে চলতি বছর থেকে অনলাইনে অ্যাপের মাধ্যমে পুজো দেওয়া ব্যবস্থা শুরু করেছে কমিটি। এছাড়াও সারা বছর পুজো দেখার জন্য মন্দিরের বাইরে বসছে বিশাল এলইডি স্ক্রিন। ভক্তদের বিশ্বাস মন থেকে মায়ের কাছে কিছু চাওয়া হলে মা নাকি কাউকে ফেরান না। সেই থেকেই উঠে এসেছে, ‘ধর্ম হোক যার যার, বড়মা সবার’ প্রবাদ।
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ফের সরকার বিরোধী আন্দোলনের ডাক ‘আরশোলা’দের, প্রতিবাদের নামে বিক্ষোভের ছক!
-
‘দাদাগিরি’র মঞ্চে রুক্মিণী, শুভশ্রী আর ইধিকা পালকে একসঙ্গে চাইবেন? দেব বললেন…
-
বিপজ্জনক পথকুকুরদের ইউথেনেশিয়া! ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে নয়া পদক্ষেপ কেরল সরকারের
-
ফেসবুকে নাটোরের তরুণীর সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম! বাংলায় আসতেই বিয়েতে ‘না’ প্রেমিকের, তারপর…
-
সারা সপ্তাহের ক্লান্তি কাটছে না সপ্তাহান্তের দেড়দিনের ছুটিতে? মেনে চলুন এই ৪ পদ্ধতি